TRENDS

ফের দিঘায় বেপরোয়া সমুদ্র স্নান, নুলিয়াদের তৎপরতায় প্রান বাঁচল ফলতার যুবকের

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: ফের সেই নিষেধ না মানা, ফের সেই বেপরোয়া সমুদ্র স্নান দিঘায়। শুধু পুনরাবৃত্তি হলনা মৃত্যুর। সচেতন আর সতর্ক নুলিয়াদের তৎপরতায় এবার প্রাণরক্ষা হল সমুদ্রে স্নানে তলিয়ে যাওয়া যুবকের। বলা যেতে পারে দ্বিতীয়বার জীবন পেলেন ফলতার ওই যুবক।

মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে নিউ দিঘার পুলিশ হলিডে হোম ঘাটে। ওখানেই বিপদ সীমা অতিক্রম করে স্নানে নেমে তলিয়ে যান বছর পঁচিশের ওই যুবক। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন ওই যুবক কোমর জল অতিক্রম করেই স্নান করছিলেন হঠাৎই এক পাহাড় প্রমান ঢেউ যুবককে ভাসিয়ে নিয়ে যায় সমুদ্রের গভীরতর অংশে। হঠাৎই এই ধাক্কার অভিঘাতে তলিয়ে গিয়ে হাবুডুবু খেতে থাকেন যুবক।

মুহূর্তেই বিপদের আঁচ উপলব্ধি করে তাকে উদ্ধারে ঝাঁপিয়ে পড়েন নুলিয়ারা। খুব কম সময়ের চেষ্টায় ওই যুবককে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে আনেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েছিল যুবক। সেই অবস্থায় তাঁকে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় দিঘা হাসপাতালে। চিকিৎসকরা দ্রুত চিকিৎসার কাজ শুরু করে দেন। জানা গেছে সন্ধের পর জ্ঞান ফিরেছে ওই যুবকের। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায় তাঁর নাম শাহারুল শেখ। বাড়ি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ফলতা থানার মুলপুঞ্জা এলাকায়। শাহারুল পেশায় দর্জি।

সোমবার বন্ধুদের সঙ্গে বাইকে করে দিঘায় বেড়াতে এসেছিলেন। রাতে এসে উঠেছিলেন নিউ দিঘার একটি হোটেলে। এদিন দুপুরে শাহারুল পৃথকভাবে পুলিশ হলিডে হোম ঘাটে সমুদ্রস্নানে নেমেছিলেন । বাকিরা ছিলেন পাশের ক্ষণিকা ও মেরিনা ঘাটে। হঠাৎই দুটো নাগাদ নুলিয়াদের নজরে আসে শাহারুলের হাবুডুবু খাওয়ার দৃশ্য। তারপরই তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় হাসপাতালে। এদিন রাতেই হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে বন্ধু মুস্তাকিন শেখ ও ইসরাফিল খানের সঙ্গে বাড়ি ফিরেছেন শাহারুল।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join