TRENDS

করোনা আতঙ্কের মধ্যেই সারি দিয়ে পড়ে রয়েছে শকুনের মৃতদেহ! আতঙ্কে নীল হয়ে আছে জলপাইগুড়ির সাহেবপাড়া

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: একটা আধটা নয়, সারি দিয়ে পড়ে ১৫টি শকুনের মৃতদেহ পড়ে রয়েছে জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের আমবাড়ি সাহেবপাড়া করতোয়া নদীর ধারে। আর করোনা আতঙ্কের মধ্যেই একসাথে এত শকুনের মৃত্যুতে আতঙ্ক আরও জোরালো হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। কেউ কেউ বলছেন এ যেন মড়কের অশনি সংকেত। কেন , কী করে এত শকুন হঠাৎ করে মারা পড়ল খুঁজে পাচ্ছেননা মানুষ আর তাতেই আতঙ্ক চেপে বসেছে স্থানীয় মানুষজনের মধ্যে। ঘটনায় থম থম করছে এলাকা।

ঘটনা সোমবারের। নিয়মমতই দুপুর বেলায় আর পাঁচটা দিনের মতই আমবাড়ির সাহেব পাড়া গ্রামের কয়েকজন করোতোয়া নদীতে স্নান করতে গিয়েছিলেন। তখনই দেখতে পান নদীর ধারে একসাথে অনেক শকুন মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ে রয়েছে । একে একে এতগুলি শকুনের মৃত দেখতে পেয়ে অবাক হয়ে যায় ওই ব্যক্তিরা। কয়েকজন গুনে দেখে পনেরোটি শকুন মরে পড়ে রয়েছে। এরপর তারা কিছুটা দুরে গিয়ে দেখতে পায় যন্ত্রণায় কাতর হয়ে ছটপট করছে আরও অনেক শকুন।এরপরেই এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। বনদপ্তর এ খবর দেওয়ার পর আমবাড়ি রেঞ্জের বনকর্মীরা এলাকায় পৌঁছেছেন এবং কি কারণে এত শকুনের মৃত্যু হয়েছে তার তদন্ত শুরু করেছেন।

কেউ কেউ বলছেন, দুপুরের কিছু আগে একটি মরা শুকরকে খুবলে খাচ্ছিল শকুনের দল। তবে কী বিষ প্রয়োগে মারা হয়েছিল শুকোরটিকে? আর তার থেকেই বিষক্রিয়া হয়েছিল শকুনগুলির দেহে ? বনদপ্তরও প্রাথমিকভাবে তাই মনে করছে। তবে তাতেও আতঙ্ক কাটছেনা মানু্ষের। করোনা আতঙ্কের মধ্যেই আরেক আতঙ্ক পেয়ে বসেছে স্থানীয়দের মধ্যে।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join