TRENDS

স্বঘোষিত চা বাগান মালিক পুলিশের হেপাজতে,ক্ষোভে থানা ঘেরাও ও ভাঙচুরের ঘটনায় উত্তপ্ত আলিপুরদুয়ার

Chandramani Saha

নিউজ ডেস্ক:আলিপুরদুয়ার জেলার কোহিনুর চা বাগানের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে বিবাদ দীর্ঘদিনের। আইনি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে যারফলে। আদালতের রায় অমান্য করায় আলিপুরদুয়ারের কোহিনূর চা বাগানের স্বঘোষিত মালিক ওমপ্রকাশ আগরয়ালকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। গ্রেপ্তারির খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন বাগান শ্রমিকরা। থানা ঘেরাও, ভাঙচুরের ঘটনায় রবিবার রাতে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল গোটা এলাকা। পালটা পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ শূন্যে গুলি চালায় এবং লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ। থানা ভাঙচুর এবং ঘেরাওয়ের ঘটনায় কারা জড়িত রয়েছে, তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

শ্রমিকদের অভিযোগ, বর্তমানে আদালতের রায়ে কোহিনূর চা বাগানের মালিকানা ওমপ্রকাশ আগরওয়ালার পরিবর্তে জনৈক কেশব সিনহাকে হস্তান্তর করা হয়েছে।কিন্তু কেশব সিনহাকে চা বাগানের অধিকার ছাড়তে নারাজ ওমপ্রকাশ। আদালতের রায় ঘোষণার পরও তিনি চা বাগানের মালিকানা ছাড়েননি। এই অভিযোগে রবিবার বিকেলের পর ওমপ্রকাশ আগরওয়ালকে গ্রেপ্তার করে শামুকতলা থানার পুলিশ।

খবর চাউর হতেই বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে কোহিনূর চা বাগান। অভিযোগ, কোহিনূর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রধানের বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপর উত্তেজিত শ্রমিকরা শামুকতলা থানা ঘেরাও করে। চলে তুমুল বিক্ষোভ প্রদর্শন।পরিস্থিতি সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট থানায় মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

রাতেই কুমারগ্রাম থানা ঘেরাও শ্রমিকদের। থানা ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, পুলিশের তরফে শূন্যে গুলি চালানো হয়। ফাটানো হয় কাঁদানে গ্যাসের শেলও। যদিও এই ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করতে চাননি জেলার পুলিশ কর্তারা। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার সকালেও এলাকায় এবং থানা চত্বরে চাপা উত্তেজনা রয়েছে।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join