TRENDS

করোনার বিরুদ্ধে জাতিকে বাঁচাতে বৃহত্তম দান টাটার, দেড় হাজার কোটি প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জাতির পাশে দাঁড়াল টাটা গোষ্টি। দেশের তাবৎ শিল্পপতিদের পেছনে ফেলে ১৫০০ কোটি টাকা প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে দান করার অঙ্গীকার করল এই গোষ্টি। রতন টাটার নেতৃত্বাধীন টাটা গ্রুপের সংস্থাগুলি করোনভাইরাস সঙ্কটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দিতে সম্মিলিত ভাবে এই দান দেওয়ার কথা ঘোষনা করা হল। শনিবার একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে চেয়ারম্যান রতন টাটা ঘোষণা করেছেন, টাটা ট্রাস্ট, টাটা সন্স এবং টাটা গ্রুপের সংস্থাগুলি একসাথে করোনাভাইরাস ত্রাণ তহবিলের জন্য দেড় হাজার কোটি টাকা দান করবে। টাটার এই তহবিল চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত চিকিৎসক, নার্স সহ তাবৎ কর্মীদের নিরপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ, ক্রমবর্ধমান আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য, কৃত্তিম শ্বাসযন্ত্রের ব্যবস্থা,এবং করোনা সংক্রান্ত পরীক্ষা চালানোর জন্য কিটস এবং যারা ইতিমধ্যে ভাইরাসটি আক্রান্ত হয়েছেন তাদের চিকিৎসা জনিত সুবিধা স্থাপনের জন্য ব্যবহার করা হবে।
পাশাপাশি এই অর্থ স্বাস্থ্যকর্মীদের এবং সাধারণ জনগণকে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ক্ষমতায়নে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হবে।
রতন টাটা ঘোষনা করেছেন,’কোভিড-১৯ সংকট মোকাবিলা করার জন্য যে সব জরুরি সংস্থাগুলিকে মোতায়েন করা দরকার সেগুলি করতে হবে এবং মানব জাতির সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জকে গুরুত্ব সহকারে মোকাবিলা করতে হবে।
কয়েকদিন আগে টাটা-র পক্ষে ঘোষণা করা হয়, তাঁরা তাঁদের সর্বস্তরের কর্মীদের পাশে আছেন। টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখর ঘোষণা করেন, যারা মার্চ, এপ্রিল মাস কাজে আসতে পারবেন না তাদের পুরো বেতন দেওয়া হবে। বিশেষ করে যারা অস্থায়ী কর্মী, তাদের দেওয়া হবে প্রতিদিনের বেতন। উল্লেখ্য, টাটা তাঁদের সব কর্মীদের ওয়ার্ক ফর্ম হোম করার নির্দেশ দিয়েছে পাশাপাশি টাটা গোষ্ঠীর সাথে যুক্ত সমস্ত সংস্হাকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা দিনমজুর, অস্থায়ী কর্মী তাদের কথা মাথায় রেখে চন্দ্রশেখর জানিয়েছেন, “কোনোভাবেই তাদের কথা ভুললে চলবে না। এই কোয়ারেন্টাইন অবস্হায় তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। তাই তাদের আগামী মাস পর্যন্ত পুরো বেতন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
উল্লেখ্য এর আগেও রতন টাটা সমাজের উন্নতির জন্য বিভিন্ন কাজে জাতির পাশে এই ভাবে এগিয়ে এসেছে।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join