TRENDS

রাজ্য সভাপতির অনুমতি পেলেই পাল্টা মার, অভিষেকের গড়ে দাঁড়িয়ে তোপ দাগলেন সৌমিত্র

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: যুব কংগ্রেস থেকে যুব তৃণমূলে এসেছিলেন অভিষেক ব্যানার্জীর হাত ধরেই। বুধবার সেই অভিষেক ব্যানার্জীর গড় দক্ষিন ২৪পরগনার মাটিতে দাঁড়িয়েই ভাইপোর রাজত্বের উচ্ছেদ করার ডাক দিলেন বিজেপির সদ্য দায়িত্ব প্রাপ্ত যুব মোর্চার সর্বাধিনায়ক বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। বুধবার বারুইপুরে একটি দলীয় কর্মসূচিতে তিনি বলেন, “তৃণমূলের হয়ে পুলিশের চামচাগিরি বরদাস্ত করা হবেনা। আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় জনতার সঙ্গে পুলিশের লড়াই লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলের অত্যাচার বেড়েছে এই জেলায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভাইপোর রাজত্ব করতে দেব না। আমাদের রাজ্য সভাপতি অনুমতি দিলে মারের বদলে মার দেওয়া হবে।”

বুধবার আমফানের ত্রাণ পঞ্চায়েত-বিডিও অফিস থেকে না পাঠানোর প্রতিবাদ-সহ কয়েকদফা দফা দাবি নিয়ে থানায় ডেপুটেশন দিতে যাচ্ছিলেন। বারুইপুরে বিজেপি জেলার দলীয় কার্যালয় থেকে বাঁকুড়ার সংসদ সৌমিত্র খাঁ-এর নেতৃত্বে র‍্যালিকে রাসমাঠের আগেই আটকে দেয় বারুইপুর জেলা পুলিশের বিশাল বাহিনী। ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি হরিকৃষ্ণ দত্ত সহ অন্যরা। এদিন এই র‍্যালিকে ঘিরে আগে থেকেই বারুইপুর এসডিপিও, আইসি-সহ নরেন্দ্রপুর থানার আইসি, মহিলা থানার ওসি’র নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।

পোস্টার, প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিজেপি’র র‍্যালি এগোতেই তা আটকে দিলে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পুলিশের বাধা পেতেই সৌমিত্র সহ বিজেপি কর্মীরা রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। সাংসদকেও বোঝানোর চেষ্টা করে পুলিশ। পরে পুলিশ সাংসদ-সহ ১০জনকে থানায় যাওয়ার অনুমতি দেয়। কিন্তু বাকি কর্মীদের আটকে দেওয়া হয়। সাংসদ, জেলা সভাপতি-সহ ১০ জন বিজেপি কর্মী বারুইপুর থানায় এসে ৪দফা দাবি নিয়ে ডেপুটেশন দেন।

সেখানে সাংসদ বাইরে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, তৃণমূলের চামচাগিরি করতে দেব না। আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় জনতার সঙ্গে পুলিশের লড়াই লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলের অত্যাচার বেড়েছে এই জেলায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভাইপোর রাজত্ব করতে দেব না। আমাদের রাজ্য সভাপতি অনুমতি দিলে মারের বদলে মার দেওয়া হবে। জেলা সভাপতি হরিকৃষ্ণ দত্ত বলেন, ২০২১-এ আমরাই ক্ষমতায় আসছি। তারপর দেখে নেব। এই হুমকির নিন্দা করা হয় শাসকদলের পক্ষ থেকে। বলা হয়েছে হিংসায় উস্কানি দিয়ে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে বিজেপি সাংসদ।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join