TRENDS

নিষ্ফলা প্রথম বৈঠক, অধরা বিদ্রোহী রাজীব

Chandramani Saha

নিউজ ডেস্ক:ঘণ্টা দেড়েকের বৈঠক। তারপর কী হল মানভঞ্জন?প্রশ্ন থেকে যায়।কারণ সদুত্তর দিতে নারাজ বনমন্ত্রী রাজীব ব্যানার্জী।শুভেন্দুর পর রাজীবের নামেও পোষ্টার পড়ে রাজ্য জুড়ে।দল ছাড়ছেন রাজীব উঠছে প্রশ্ন? অবশ্য শুধুই পোষ্টারই নয়, রাজীবের বেসুরো বক্তব্যও তোলপাড় শুরু করেছে তৃনমূল কংগ্রেসের অন্দর মহল। আর তাই এই বৈঠক।

সূত্রের খবর,এই আলোচনাতে সমাধান সূত্র মেলেনি। জল্পনার অবসান না ঘটিয়েই দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে আলোচনা সেরে বেরলেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর বক্তব্য, দলীয় আলোচনার জন্য ডাকা হয়েছিল, তাইএসেছিলেন। আলোচনা হল। পরেও প্রয়োজনে আলোচনা হবে।
দলীয় সূত্রে খবর, এদিনের আলোচনার রিপোর্ট তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেবেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তার পরই পরবর্তী বৈঠকের দিনক্ষণ ধার্য হবে।

কয়েকদিন ধরেই রাজীবের কথাবার্তায় দলের ভেতর বাড়ছিল অস্বস্তি। তাঁর ক্ষোভ সামাল দিতেই এদিনেরএই বৈঠক। কিন্তু এদিনও জল্পনা জিইয়ে রাখলেন বনমন্ত্রী।

একদিনের আলোচনাই নয়, এর পরেও শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন বলেন, ‘‌আগামী দিনে কী করা যায় সেই রূপরেখা এদিন তৈরি হয়েছে।’ বৈঠক শেষে দলীয় সূত্রে একই কথা জানা গিয়েছে।

রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা গিয়েছে, দলের কিছু নেতার দুর্নীতি ও স্তাবকতা নিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও প্রশান্ত কিশোরের কাছে এদিনের বৈঠকে ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। জানা যায় এদিন মূলত রাজীবের বক্তব্য, অভিযোগ শুনতে চেয়েছিলেন পার্থ ও প্রশান্ত কিশোর।

এদিন অনেকটাই নরম সুর দেখা গেল রাজীবের কন্ঠে। তিনি এদিন বলেন, ‘‌দলের মধ্যে যদি কোনও ক্ষোভ থাকে সেটা নিশ্চিতভাবে আলোচনার মধ্যেই মিটবে বলে তার বিশ্বাস’‌।তবে এদিনের আলোচনা ইতিবাচক নাকি নেতিবাচক সে ব্যাপারে কোনও ইঙ্গিত দেননি রাজীব।সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘‌আলোচনা হয়েছে। এর বেশি কিছু বলার নেই।’‌

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join