TRENDS

তৃণমুলে যোগ উত্তরের টাইগারের।বিজেপির আদিবাসী ভোটে থাবা ঘাসফুলের

Chandramani Saha

নিউজ ডেস্ক:  লোকসভা নির্বাচনে উত্তরের মাটিতে মাথা তুলে দাড়াতে পারেনি ঘাসফুল।সবকটি আসনেই জয়ী হয় বিজেপি।লোকসভা নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি যাতে একুশের নির্বাচনে না হয় তার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে শাসক শিবির।

উত্তরবঙ্গে বিজেপির আদিবাসী ভোটে ভাঙন ধরানোর কৌশল তৃণমূল কংগ্রেসের। বিজেপিতে যোগ দিলেন আদিবাসী বিকাশ পরিষদের নেতা রাজেশ লাকড়া ওরফে টাইগার। আলিপুরদুয়ারের দায়িত্বে থাকা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই কলকাতায় তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। মন্ত্রী ময়ল ঘটক তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একমাত্র আদিবাসী উন্নয়নের কথা ভেবেছেন এবং তা করে দেখিয়েছেন। তাই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর উন্নয়নের সঙ্গী হতেই তিনি এই দলে যোগ দিয়েছেন। উত্তরবঙ্গের সমগ্র আদিবাসী সম্প্রদায়ের ইচ্ছেতেই তিনি তৃণমূলে যোগ দিলেন।

চা বাগানের ভোট ফ্যাক্টর কাজ করে প্রতিটি নির্বাচনে।তৃণমুল নেতাদের মতে টাইগারের প্রভাব রয়েছে মাদারিহাট,কালচিনি,কুমারগ্রামের মতো বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে। টাইগার জানান চা শ্রমিকদের ঘর তৈরি করার প্রকল্প করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাদের দৈনিক মজুরি বাড়িয়েছেন। এর আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিকদের কথা ভাবেননি। তাই আদিবাসী সমাজের উন্নয়নের কথা মাথায় রেখেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

রাজেশ লাকড়ার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানে উত্তরবঙ্গে আদিবাসী ভোটে ধাক্কা খাবে বিজেপি। কারণ রাজেশ লাকড়া উত্তরবঙ্গের জনপ্রিয় আদিবাসী নেতা। উত্তরবঙ্গে বিজেপি অনেকটা এগিয়ে থাকলেও আদিবাসী ভোট নিয়ে বেশ চিন্তায় রয়েছে। তার উপরে বিমল গুরুংয়ের প্রত্যাবর্তন নতুন করে দার্জিলিং হাতছাড়া হওয়ার ভয় বাড়িয়ে দিয়েছে বিজেপির। কারণ গুরুং আগেই জানিয়ে দিয়েছেন এবার তারা তৃণমূলের সঙ্গে রয়েছেন।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join