TRENDS

লকডাউন শিথিল হতেই পোয়া বারো গ্যাস কোম্পানি গুলির, বাড়ল ভর্তুকিহীন রান্নার গ্যাসের দাম

Chandramani Saha

ওয়েব ডেস্ক : লকডাউন পর্বে যখন হোটেল রেস্তোঁরা দোকান পাট বন্ধ ছিল তখন পাল্লা দিয়ে কমানো হয়েছিল গ্যাসের দাম। আর লকডাউনের পঞ্চম দফা তথা আনলক ওয়ান চালু হওয়ার দিনই, ১ লা জুন থেকে ফের দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের। গত মাসে রান্নার গ্যাসের দাম কমায় ভর্তুকি বন্ধ করেছে কেন্দ্র। তার কিছুদিনের মধ্যেই ফের দাম বাড়লো ভর্তুকিহীন গ্যাসের।

কলকাতায় ভর্তুকিহীন রান্নার গ্যাসের দাম সিলিন্ডার প্রতি বেড়েছে ৩২ টাকা। বর্তমান দাম ৬১৬ টাকা, যা একলাফে প্রায় অনেকটাই বেড়েছে। দিল্লিতে সিলিন্ডার পিছু বেড়েছে ৬৫ টাকা। চেন্নাইতে দাম বেড়েছে ৩৭ টাকা ও মুম্বাইতে বেড়েছে মাত্র ১১ টাকা।

হঠাৎ রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের সব থেকে বড় তেল শোধনকারী সংস্থা আইওসির তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি হওয়ার কারণেই গ্যাসের দাম বেড়েছে। যদিও এই যুক্তি কতটা সঙ্গত তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর আগেও আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমলেও সেই তুলনায় কোম্পানি গুলো দাম কমায়নি এমন উদাহরণ বার বার দেখা গেছে। পাল্টা সেই দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই কোম্পানি গুলো দাম বাড়িয়েছে। অর্থাৎ সব সময় অপরিশোধিত তেলের বাজার মূল্যের সঙ্গেই কোম্পানি গুলি শোধিত বাজার মূল্যের সাযুজ্য রেখেছে এমনটা নয়। বরং বাজার বিশেষজ্ঞরা এটাই বলছেন যে, বিশ্ব ব্যাপী লকডাউনের বাজারে তেলের কোম্পানিগুলি যে পরিমান লোকসান করেছে এখন তারা সেই ঘাটতি পূরণ করতে উঠে পড়ে লেগেছে। আর ভবিষ্যতেও এই একই জিনিস ঘটতে থাকবে যার মূল্য চোকাতে হবে সাধারন মানুষকেই কারন সাধারন মানুষের কাছে এর কোনও বিকল্প নেই।

তবে এই মূল্যবৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর উজ্বলা যোজনার আওতায় থাকা গ্রাহকদের কোনো প্রভাব পড়বে না বলেই জানা গিয়েছে। লকডাউন পরিস্থিতে কেন্দ্রের তরফে ৩০ শে জুন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর উজ্বলা যোজনার আওতায় থাকা গ্রাহকদের মোট তিনটি সিলিন্ডার বিনামূল্যে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী আপাতত এই প্রকল্পের ওপর দাম বৃদ্ধির কোনো প্রভাবই পড়ছে না।লকডাউন শিথিল হতেই পোয়া বারো গ্যাস কোম্পানি গুলির, বাড়ল ভর্তুকিহীন রান্নার গ্যাসের দামএকেই দেশ জুড়ে ২ মাস ধরে চলছে লকডাউন। এর জেরে এক্কেবারে নাজেহাল দেশবাসী। এই পরিস্থিতিতে ফের রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ায় স্বাভাবিকভাবেই মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join