TRENDS

এবার শতাব্দীর মতই মন খারাপ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়েরও ,দলের যোগাযোগ না রাখার অভিযোগ সাংসদের

Chandramani Saha

নিউজ ডেস্ক: শতাব্দীর গোঁসা ভাঙতেই বেসুরো প্রসূন।কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে তৃণমূলের ঘরে নতুন বিদ্রোহের রব। এবার দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যোগাযোগ না রাখার অভিযোগ তুললেন হাওড়ার সাংসদ। তার অভিযোগ, দলের সাংগঠনিক রদবদলের খবর জানানো হয় না তাকে। তিনি যে ‘দিদির আদর্শে অনুপ্রাণিত’ তা জানাতে ভোলেননি প্রাক্তন এই ফুটবলার। একদিক শান্ত হতেই সরব হয় অন্যদিক।কোন দিক সামাল দেবে তা নিয়ে নাজেহাল তৃণমুল নেতৃত্ব।

প্রসূন বলেছেন , তিনি ৩ বারের সাংসদ। ৯ বছর ধরে হাওড়ায় আছেন। তাকে সাংগঠনিক রদবদলের কোনও খবর জানানো হয় না।পদাধিকারী কিছু নতুন মুখ তার কাছে এসে পরিচয় দিয়ে সাংসদ তহবিলের টাকায় কাজ করার আবেদন জানান । সাংসদকে কি এটুকু তথ্য জানানো দলের কর্তব্য নয়? বলে তার অভিযোগ।গত জুলাই মাসে লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে হাওড়া শহর তৃণমূলের সভাপতি ঘোষণার পর তাকে দলের তরফে জানানো হয়নি। সংবাদমাধ্যম থেকে তিনি সেকথা জানতে পেরেছিলেন।

প্রসূনবাবু আরও বলেন, ‘আমি বলছি না যে দলে রদবদলের আগে আমার মত নিতে হবে। কিন্তু রদবদলের খবরটুকু একটা চিঠিতে বা এসএমএসে জানাবে তো? আমি মমতা দিদির আদর্শে অনুপ্রাণিত। দলটাকে নিয়েই পড়ে রয়েছি। এই অভিমান তো আমার হতে পারে।’ প্রসূনের এই মন্তব্যর প্রতিক্রিয়ায় অরূপ রায় জানিয়েছেন, ‘প্রসূনবাবুর ক্ষোভ থাকলে তিনি দলের ভিতরে জানাতে পারতেন। সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলা ঠিক নয়।’

মজার ব্যাপার হল এই যে, কয়েকদিন আগেই বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ দাবি করেছিলেন যে, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যাওয়ার জন্য যোগাযোগ রাখছেন। এই বক্তব্যে তোলপাড় হয় রাজ্য। ঘর পোড়া গরু তৃনমূল সিঁদুরে মেঘ দেখেছিল সৌমিত্রের সেই বক্তব্যে। প্রসূন নিজে অবশ্য সেই দাবি ঠিক নয় বলে দাবি করেছিলেন কিন্তু এদিন তাঁর এই অভিমানি বক্তব্য সেই আশঙ্কাই যেন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join