TRENDS

বিধাননগর থেকে বল্লভপুর, পাহাড়ীপুর থেকে পাটনা বাজার, মেদিনীপুর শহর জুড়ে করোনা সংক্রমনের ঘটা, বাদ গেলনা শহরতলিও

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: কোথাও একই পরিবারের ৩ জন আবার কোথাও একই পরিবারের ২ জন, কোথাও বস্তি ছুঁয়ে স্লিপ তো কোথাও বহুতল আবাসনে ছক্কা কসালো করোনা। শহর মেদিনীপুরেই নাই নাই করে ৪২ রান তুলে মেদিনীপুর সদরের গ্রাম্য মাটির পিচ মাড়িয়ে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন ৬০ জনকে ছুঁয়ে ফেলল করোনা।

করোনার কবলে অভিজাত বিধাননগর,রবীন্দ্রনগর হয়ে সাবেক মধ্যবিত্তের বাস পাটনাবাজার, পাহাড়ীপুর হয়ে রাঙামাটি, তাঁতিগেড়িয়া। মঙ্গলবারের করোনা রিপোর্ট মোতাবেক বড় সংক্রমন মেদিনীপুর শহরের কুইকোটাতে। আক্রান্ত একই পরিবারের তিনজন। ৭৮, ৬৮ এবং ৪৫ বছরের তিন মহিলা। মির্জাবাজার এলাকায় ৫২ বছরের এক মহিলা ছাড়াও একই পরিবারের ৩০ এবং ২৭বছরের দম্পত্তি আক্রান্ত। এই মির্জাবাজারেই সন্ধান মিলেছে ৩০ বছরের এক আক্রান্ত যুবকের। চিড়িমারসাইতে ৩২ বছরের মায়ের সাথে আক্রান্ত ৯বছরের বালক।

বিধাননগরে ৫০ বছরের প্রৌঢ়া ও রবীন্দ্রনগরে ১৫বছরের কিশোর আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন বাজারে ৩০বছরের যুবক ও ৬৩ বছরের ও ৬২ বছরের ২ আক্রান্ত বৃদ্ধার সন্ধান মিলেছে। ডাকবাংলো রোডের একটি বহুতলে ৫১ বছরের প্রৌঢ় এবং শেকপুরাতে ৪২ বছরের ব্যক্তি আক্রান্ত। মিঞা বাজার থেকেও ২৮ বছরের এক যুবকের আক্রান্ত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। রাঙামাটিতে ৪৬ বছরের প্রৌঢ়া ও তাঁতিগেড়িয়ায় ৭০ বছরের বৃদ্ধ আক্রান্ত। খাপ্রেলবাজার, পাহাড়ীপুর, পাটনাবাজারে আক্রান্ত যথাক্রমে ৪৬ ও ১৭ বছরের মহিলা ও কিশোরী ও ২৬ বছরের যুবক। বল্লভপুর ও ধর্মাতে ৩৬ ও ৩৮ বছরের ২মহিলা আক্রান্ত হয়েছে। হাতারমাঠ এলাকায় সন্ধান মিলেছে ২৫ বছর বয়সী আক্রান্ত যুবতীর।

মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ৩৭ বছর বয়সী মহিলা স্বাস্থ্য কর্মী আক্রান্ত বলে জানা গিয়েছে। এমন ১৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন শহরে বা শহরতলিতে যাঁদের থানা কতোয়ালি বলে উল্লেখ থাকলেও নির্দিষ্ট এলাকার নাম নেই। তবে মঙ্গলবার মেদিনীপুর সদরেও করোনার দাপট অব্যাহত। শহর লাগোয়া বড়ুয়া, শিরোমনির সাত গেড়িয়া, খয়েরুল্লারচক পেরিয়ে চিলগোড়া,দেপাড়া, চাঁদড়া সহ সংলগ্ন এলাকায় ডজন ছড়িয়ে গেছে করোনা।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join