TRENDS

যা হয়েছে ভুল হয়েছে, ভুলে যান, ভাই বিক্রমের রেশন না পাওয়া প্রসঙ্গে জানালেন দেব

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: জ্যাঠতুতো ভাইয়ের রেশন না পাওয়াটা ভুল হয়েছে, এটা হওয়া উচিৎ হয়নি। কিন্তু ভুল শুধরে নেওয়া হয়েছে। এখন বিষয়টি ভুলে যান। এমনটাই জানালেন ঘাটালের সাংসদ তথা অভিনেতা দেব। শনিবার মেদিনীপুর শহরে মূখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের ভিডিও কনফারেন্সের পর এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানালেন দেব।

দেব বলেন, “ওই সময় যারা ভাইকে সাহায্য করেছেন তারা ভালই করেছেন। যাঁরা খবরটি প্রকাশ্যে এনেছিলেন তাঁরাও ভাল কাজ করেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয় বরং এই সময় সমস্ত রাজনৈতিক দলের উচিৎ একসাথে কাজ করা।” উল্লেখ্য রেশন না পেয়ে বাড়িতে হাঁড়ি না চড়ায় দেবের ভাই বিক্রম অধিকারীকে চাল দিয়ে সাহায্য করেছিল সিপিএম। যা নিয়ে কটাক্ষ করেছিল তৃণমূল। দেব অবশ্য সে পথেই হাঁটেননি।
মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সাংবাদিক বৈঠকে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দেব বলেন রাজ্য ও কেন্দ্রসরকার বিষয়টি নিজেদের মত করে দেখুন কারন ওই মানুষগুলো ফিরে আসার জন্য কাজে যাননি।
অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যের থেকে নার্সদের বিদায় নেওয়ার ঘটনাকেও দুঃখজনক বলে দাবি করেন সাংসদ দেব। করজোড়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে তার আবেদন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের গুরুত্ব অপরিসীম, আর সেই কারণেই নার্সদের ফিরে না যাওয়ার আবেদন করেন তিনি।

ঘাটালের সাংসদ এদিন জানান, আমাদের যা পরিস্থিতি তাতে হয়ত করোনা নিয়েই আগামী দিনে চলতে হবে। তাই স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নতি দরকার। যে কারনে তিনি নিজের সাংসদ তহবিল থেকে এক কোটি টাকা দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকারকে ইতিমধ্যেই চিঠি দিয়ে বাড়তি বরাদ্দের আবেদন করেছেন বলেও জানালেন তিনি।

সব মিলিয়ে দেবের গলায় আজ বিরোধী দলগুলির প্রতি তৃণমূলের স্বভাবগত বিদ্বেষ কোনও ভাবেই নজরে পড়েনি বরং করোনা পরিস্থিতিতে দেব বারবার সমস্ত দলের সম্মিলিত উদ্যোগের সৌজন্যের বার্তাই দিয়ে গেছেন এই অভিনেতা সাংসদ। ভাইয়ের কথা মাথায় রেখেই হয়ত ফের বলে গেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবাই বিশেষ করে গরিব মানুষ রেশন পান তা আমাদেরই দেখতে হবে।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join