TRENDS

মেদিনীপুরের সিংহ পরিবারে কার্তিক ঠাকুরই ত্রিনেত্রী ও সিবেলীর ‘বড় দাদা’

Abhirup Maity
মেদিনীপুরের সিংহ পরিবারে কার্তিক ঠাকুরই ত্রিনেত্রী ও সিবেলীর 'বড় দাদা'

অরুণ কুমার সাউ, মেদিনীপুর:      রবিবার সন্ধ্যায়  কার্তিক পূজায় মাতলেন মেদিনীপুর শহরের সিংহ পরিবার ।তিন‌ দশক অতিক্রম করে পায়ে পায়ে ৩৩ বছর অতিক্রম করলো সিংহবাড়ির  কার্তিক পূজা। প্রতি বছরের মতো এবছরও মেদিনীপুর শহরের বিধান নগরের  সিংহ বাড়ির কার্তিক পূজা হলো বেশ ধুম ধাম ভাবে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
বিধাননগর জে টুয়েন্টি সেভেনের “বৃষ্ণি” বাড়িটি  এবারও নানান সাজে সেজে উঠেছিল কার্তিক পূজা উপলক্ষ‍্যে। রঙীন আলোর পাশাপাশি রঙীন আল্পনা দিয়ে সাজানো হয়েছিল সিংহ বাড়ি।ঢাকের শব্দ, ঘন্টা ধ্বনি ও শঙ্খ ধ্বনিতে মাতোয়ারা ছিল সিংহ বাড়ি। ছিল তুবড়ীর ফুলঝুরি। এবার ছিল এই পারিবারিক পূজার ৩৩ তম বর্ষ।এই বাড়িতে পূজার সূচনা হয় বাড়ির বড় মেয়ে ত্রিনেত্রীর জন্মের তিন বছর আগে ১৯৮৭ সালে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
বাড়ির কর্তা-গিন্নি  দুর্গাপ্রসাদ সিংহ ও মৈয়েত্রী দেবীর দাম্পত্য জীবনের চতুর্থ বছরে।কার্তিক পূজার আগের রাতে আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধবদের কেউ তাঁদের বাড়ির সামনে কার্তিক রেখে যান। সাধারণভাবে গৃহস্থ বাড়িতে ফেলে যাওয়া কার্তিক পূজা সাধারণত পরপর তিনবছর করার পর শেষ যায়। কিন্তু সিংহ বাড়িতে সেই চালু হওয়া পূজা চলছে এখনো নিষ্ঠা সহকারে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
গৃহে সন্তান জন্মানোর কামনায় এই বাড়িতে শুরু হওয়া কার্তিক পূজার “কার্তিক ঠাকুর”কে বাড়ির দুই বোন ত্রিনেত্রী ও সিবেলী ‘বড় দাদা’ বলে মানেন। এই বাড়ির কার্তিক ফেলা হয় না। এই কার্তিক ঠাকুরের বিসর্জন হয় নিয়ম মেনে। প্রতিবারেই পূজায় ভীড় জমান আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীরা।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
এরকম একটি পারিবারিক উৎসবে যোগ দিতে পেরে খুশি শর্টফিল্ম নির্মাতা সৌমেন্দু দে, শিক্ষক সমাজকর্মী সুদীপ কুমার খাঁড়া, শিক্ষক-চিত্রশিল্পী নরসিংহ দাস, শিক্ষিকা সংঘমিত্রা প্রধান, নাট্যকর্মী শূভঙ্কর দোলই, পিন্টু দাস, ফটোগ্রাফার সাত্যকি দাস মহাপাত্র, শিক্ষিকা সংহতি মাইতি প্রমুখ।

Abhirup Maity

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অভিরূপ মাইতি একজন প্রতিশ্রুতিবান সংবাদকর্মী। খবরের অন্তরালে থাকা সত্য অনুসন্ধান এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করাই তার লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় টিমের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

Home Breaking E - Paper Video Join