TRENDS

ধর্ষণ নয় বরং অনার কিলিং এর শিকার হাথরসের নির্যাতিতা, বিস্ফোরক দাবি ৪ অভিযুক্তের

ওয়েব ডেস্ক : হাথরস কাণ্ডে নির্যাতিতার মৃত্যুর পর থেকেই উঠে আসছে একের পর এক নয়া তত্ত্ব। পরিবারের তরফে দাবি করা হচ্ছে নির্যাতিতাকে গণধর্ষণ করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী চার অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর থেকেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তরফেও বারংবার ধর্ষণের তত্ত্ব উড়িয়ে দেওয়া হয়। এমনকি এর আগে সুপ্রিম কোর্টেও উত্তরপ্রদেশ সরকারের তরফে জানানো হয়, রাজ্যকে বদনাম করতেই এই ধরণের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তাদের দাবি, পুরো ঘটনাটাই উঁচু জাতি ও নীচু জাতির মধ্যে হিংসার ছক। এমনকি হাথরস কাণ্ডে JJ হাসপাতালের প্রাথমিক রিপোর্টেও কোনোরকম ধর্ষণের প্রমাণই পাওয়া যায়নি।

পাশাপাশি, নির্যাতিতা আদতে ধর্ষিত হয়েছিলেন কিনা সে বিষয়ে জানতে ইতিমধ্যেই তা পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছিল আগ্রার FSL-এও। সেখানেও ধর্ষণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে হাথরস কাণ্ডে নয়া তত্ত্ব উঠে এসেছে, যাতে জানা গিয়েছে৷ ধর্ষণ নয়, বরং অনার কিলিংয়ের শিকার হয়েছিলেন ১৯ বছরের দলিত তরুণী। গ্রেফতার হওয়ার পর পুলিশকে চিঠি লিখে নিজেদের বক্তব্য হিসেবে একথাই জানিয়েছে ৪ অভিযুক্ত যুবক। এদিকে অভিযুক্তদের এই বিস্ফোরক এই দাবিতে ইতিমধ্যেই গোটা দেশে ফের শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

হাথরস কাণ্ডে প্রধান অভিযুক্ত সন্দীপ ঠাকুর উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে উদ্দেশ্য করে চিঠিতে লিখেছেন, “ঘটনার দিন আমি ওর (নির্যাতিতা) সঙ্গে দেখা করতে খেতে গিয়েছিলাম। ওর মা আর দাদাও সেখানে ছিল। ও আমাকে ফিরে যেতে বলায় আমি বাড়ি চলে আসি। পরে গ্রামবাসীদের কাছে জানতে পারি আমাদের বন্ধুত্ব নিয়ে ওর মা-দাদা ওকে বেধড়ক মারধর করেছে। জানতে পারি, ও গুরুতর জখম হয়েছে। আমি কখনও ওর গায়ে হাত তুলিনি। ওর মা-দাদা, আমি এবং আরও ৩ জনকে মিথ্যে ঘটনায় ফাঁসিয়ে জেলে ঢুকিয়ে দিয়েছে। আমরা নির্দোষ। দয়া করে পুরো ঘটনার তদন্ত করুন। আমরা সুবিচার চাই।”

তবে মূল অভিযুক্ত সন্দীপ ঠাকুর নিজের হাতে চিঠিটি লিখলেও তার লেখা চিঠিতে সম্মতি দিয়ে টিপ-সই রয়েছে ৪ অভিযুক্তেরই। ঘটনায় অভিযুক্ত সন্দীপ ঠাকুরের দাবি, নির্যাতিতা তাঁর বান্ধবী ছিল। সেকারণে তাঁর সঙ্গে ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। এমনকি মাঝেমধ্যে তাদের দেখাও হতো। তবে পুলিশ আগেই ধর্ষণের তত্ত্ব উড়িয়েছিলেন। তবুও এই ঘটনা নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল গোটা দেশ। এখন অভিযুক্তদের এই চিঠি পুলিশের কাছে পৌঁছাতে গোটা বিষয়টি নিয়ে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ পুনরায় কি ব্যবস্থা নেবে তা নয়েই চলছে জল্পনা। তবে হাথরযে সেদিন আসলে ঠিক কী হয়েছিল? তবে সত্যিই ধর্ষণ হয়নি ওই তরুণী? এই নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বিভ্রান্তি বাড়ছে, সেই সাথে বাড়ছে জল্পনাও।

Home Breaking E - Paper Video Join