TRENDS

এবার থেকে হোম আইসোলেশনে থাকতে হলে লিখতে হবে ৩টি মুচলেকা, নয়া সিদ্ধান্ত কলকাতা পুরসভার

Abhirup Maity

ওয়েব ডেস্ক : উপসর্গহীন করোনা রোগীদের খুঁজতে রীতিমতো কালঘাম ছুটছে কলকাতা পুরসভার। তার ওপর অনেকেই মানছে না বিধি নিষেধ৷ এর ফলে এবার থেকে কলকাতায় করোনা রোগীদের হোম আইসোলেশনে থাকার ক্ষেত্রে আরও কড়াকড়ি নিয়ম করতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। এবিষয়ে পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, এবার থেকে হোম আইসোলেশনে থাকতে গেলে দিতে হবে ৩ দফা মুচলেকা। পুরসভা সূত্রের খবর, হোম আইসোলেশনে থেকেও অনেকে নিয়ম মানছেন না। এমনকি স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগও রাখছেন না। এর জেরে করোনা সামলাতে মুশকিল হচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকদের।

এবিষয়ে কলকাতা পুরসভার বিদায়ী ডেপুটি মেয়র তথা স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, এই মূহুর্তে কলকাতা পুর এলাকায় বহু মানুষ হোম আইসোলেশনে রয়েছে। কিন্তু আদতে কেউই সেই নিয়ম মানছেন না। স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন না। ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগী গুরুতর অসুস্থ হয়ে উঠলে তা জানতে পারছেন স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা। এমনকি কারও মৃত্যু হলেও খবর আসছে অনেক পরে। এর জেরে স্বাভাবিকভাবেই মৃতদেহ সৎকারে দেরি হচ্ছে। এর জেরে এবার থেকে যদি কোনাই করোনা রোগী হোম আইসোলেশনে থাকতে চান, সেক্ষেত্রে তাদের তিনটি মুচলেকা দিতে হবে৷ প্রথম মুচলেকায় সমস্ত নিয়ম মেনে চলার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে। দ্বিতীয় মুচলেকায় জানাতে হবে ডাক্তারের নাম ও ফোন নম্বর। তৃতীয় মুচলেকায় জানাতে হবে সেবক বা সেবিকার নাম।

এবিষয়ে পুরসভার তরফে আরও জানানো হয়েছে, যদি কোনো করোনা রোগী মুচলেকায় সই করতে অস্বীকার করেন, সেক্ষেত্রে, উপসর্গহীন রোগীদের পাঠানো হবে সেফ হোমে। আর উপসর্গ থাকলে তাকে পাঠানো হবে হাসপাতাল। পুরসভা সূত্রের খবর, যেহেতু কলকাতার বহু মানুষ করোনায় সংক্রমিত হয়ে স্বাস্থ্য দফতরের সাথে যোগাযোগ করছেন না সেহেতু করোনা রোগীর বাড়িতে মৃত্যু হলে তাঁর ডেথ সার্টিফিকেট জোগাড় করতে কালঘাম ছুটছে পরিবারের। এমনকী খবরও মিলছে দেরিতে। সেক্ষেত্রে এবার থেকে মুচলেকায় চিকিৎসকের নাম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে এর মাধ্যমে সরাসরি তাঁর কাছ থেকে ডেথ সার্টিফিকেট চাওয়া হবে। আর খবর মিলতে দেরি হলে জবাবদিহি করতে হবে পারে সেবককে।

Abhirup Maity

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অভিরূপ মাইতি একজন প্রতিশ্রুতিবান সংবাদকর্মী। খবরের অন্তরালে থাকা সত্য অনুসন্ধান এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করাই তার লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় টিমের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

Home Breaking E - Paper Video Join