TRENDS

পজিটিভ থেকে নেগেটিভ হয়ে ফের পজিটিভ ডিআইজি! বেসরকারি ল্যাবের কার্যকরিতা নিয়েই প্রশ্ন

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: ৩ দফা পরীক্ষার পর নিশ্চিত হয়ে গেল যে র‍্যাপিড আ্যন্টিজেন পরীক্ষায় পজিটিভ মানেই পজিটিভ। সাথে সাথে বৃহস্পতিবার মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ভাইরোলজি ল্যাবে আরটি/পিসিআর পরীক্ষায় এও নিশ্চিত হয়ে গেল যে মেদিনীপুর রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল(DIG) ভি সলেমান নেসাকুমার এবং তাঁর স্ত্রী ও কন্যা সত্যি সত্যি করোনা পজিটিভ। মঙ্গলবার খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে র‍্যাপিড আ্যন্টিজেন পরীক্ষা করানোর পর ডিআইজি এবং তাঁর স্ত্রী এবং ১১বছরের কন্যার পজিটিভ আসে।

নিয়ম অনুযায়ী আ্যন্টিজেন পজিটিভ হলে আরটি/পিসিআর ও পজিটিভ ধরা হয়। কখনো সখনো কিছু ব্যতিক্রমী বিচ্ছিন্ন দৃষ্টান্ত দেখা গেলেও ICMR য়ের সুপষ্ট গাইড লাইনে বলা রয়েছে, আ্যন্টিজেন নেগেটিভ হলে আরটি/পিসিআর নেগেটিভ নাও হতে পারে কিন্তু পজিটিভ মানে পজিটিভই।
যদিও এই পরীক্ষা নিয়ে একটি জটিলতা তৈরি হয় বুধবার। আ্যন্টিজেন। পরীক্ষা পজিটিভ হতেই ডিআইজি নিজের উদ্যোগে একটি বেসরকারি ল্যাবে ফের তিনজন মিলে নুমনা দেন আরটি/পিসিআর পরীক্ষার জন্য।

এখানে ফলাফল আসে ডিআইজি এবং তাঁর কন্যা নেগেটিভ কিন্তু তাঁর স্ত্রী পজিটিভ। আ্যন্টিজেন পরীক্ষায় পজিটিভ আসার পরে আরটি/পিসিআর নেগেটিভ হওয়ার পর তোলপাড় শুরু হয়ে যায় স্বাস্থ্য দপ্তরে। প্রশ্নের মুখে এসে দাঁড়ায় আ্যন্টিজেন পরীক্ষা। যদিও জেলার স্বাস্থ্যকর্তারা আগের তত্ত্বেই অনড় থাকেন। ধন্দ কাটাতে এরপর ঠিক হয় এবার মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ভাইরোলজি ল্যাবে ফের নতুন করে সপরিবার ডিআইজি নেসাকুমারের নমুনা পরীক্ষা করা হবে ।

সেইমত বৃহস্পতিবার নমুনা সংগ্ৰহ করা হয় বিকালে পরীক্ষার পর তিনজনেরই ফলাফল পজিটিভ এসেছে। এদিন ডিআইজি ছাড়াও তাঁর পিতা মাতা, ছেলে সব মিলিয়ে ৭জনের নমুনা নেওয়া হয়, বাকিরা নেগেটিভ জানা গেছে।

এই ঘটনায় এক দিকে যেমন আ্যন্টিজেন পজিটিভ মানেই পজিটিভ এই তত্ত্ব ফের প্রতিষ্ঠিত হল তেমনি হাজার হাজার টাকা গুনে যাঁরা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলিতে করোনা পরীক্ষা করাচ্ছে তার আদৌ সঠিক রিপোর্ট পাচ্ছেন কিনা তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল!

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join