TRENDS

নাড়া পোড়ায় পুড়ল কৃষকের পাকা ধান, বাঁচল কয়েকশ বিঘা

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: মেশিনে ধান কাটা আর তারপর মাঠেই পুড়িয়ে ফেলা পরিত্যক্ত খড়, নাড়া। দূষণে দূষণে ছয়লাপ কিন্তু শত নিষেধাজ্ঞায় হুঁশ ফেরেনা। সেই নাড়া পোড়ানোর মাশুল এবার দিতে হল পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার এক ক্ষুদ্র চাষীকে। নাড়ার আগুন থেকে মাঠে পাকা ধানে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় সর্বশান্ত হলেন প্রান্তিক কৃষক তপন পাত্র।

যদিও আরও সর্বনাশ অপেক্ষা করছিল কিন্তু সময়মত নজরে পড়ায় প্রায় ৭০ জন চাষি মাঝমাঠে লাঠি পেটা করে আগুনকে ছড়িয়ে পড়া থেকে রদ করাতে সক্ষম হওয়ায় বিপদ এড়ানো গেছে অনেকটাই নচেৎ তাঁদের সমবৎসরের ধান চলে যেত আগুনের গ্রাসে। এক ভয়াবহ ক্ষতির মুখ থেকে রক্ষা পেলো কয়েকশ বিঘার পাকা ধান সহ কৃষকরা।

ঘটনাটি ঘটেছে চন্দ্রকোনা থানার মাড়গোকুল পুর মৌজায় রবিবার মাঝরাতে। মাঠ পাহারায় থাকা কয়েকজনের নজরে পড়ে যায় যে মাঝ মাঠ দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন। ওই চাষিদের সম্মিলিত চিৎকারে আশেপাশের বাড়িতে থেকে ছুটে আসেন বাকিরা। রাতের ঘুম উবে যায় তাঁদের। বেশীর ভাগ চাষীই পাট্টা ও বর্গাচাষী। এঁদের মেশিনে ধান কাটার সামর্থ্য নেই। নিজেরাই ধান কাটে। মাঠের বড় জোত গুলির ধান কাটা হয়েছে মেশিনে। সেই অন্য ধান গাছের পড়ে থাকা গোড়া, নাড়ায় আগুন ধরিয়ে দেয় কেউ বা কারা।

সেই নাড়ার আগুন বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে পাশের জমির কেটে রাখা ধান গাছে ছড়িয়ে পড়ে এবং দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। তপন পাত্র নামে এক চাষীর সাত কাঠা জমির সমস্ত ফসল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়ে কৃষকরা। সমূহ ক্ষতি পূরণ সহ এমন আগুন লাগিয়ে দেওয়ার পিছনে যারা যুক্ত তাদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবী জানিয়েছেন কৃষকরা।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join