TRENDS

মুখ্যমন্ত্রী আর শুভেন্দুর হেভিওয়েট লড়াইয়ের ময়দানে মিলল অস্ত্র কারখানার হদিস! চাঞ্চল্য নন্দীগ্রামে, আটক ২

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: লড়বেন মুখ্যমন্ত্রী আর লড়তে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষিত আসন আর যতদূর জানা যাচ্ছে নন্দীগ্রাম থেকেই লড়তে হবে বলে শুভেন্দু অধিকারীকে তৈরি হতে বলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। সম্ভবতঃ এখানেই হচ্ছে রাজ্যের হেভিওয়েট লড়াই যার দিকে তাকিয়ে বাংলার সমস্ত নজর। সেই নন্দীগ্রামই সংবাদের শিরোনামে চলে এল মঙ্গলবার। এখানেই মিলল আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারখানা। ঘটনায় ২জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। পুলিশের অবশ্য দাবি ঘটনার সাথে রাজনীতির যোগ নেই।

পুলিশ সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামের হাজরাকাটার হোসেনপুর এলাকায় দীর্ঘদিনের লেদ কারখানা আছে এই এলাকার বাসিন্দা সেখ হাকিমুদ্দিন । সেখানেই গোপনে গড়ে উঠেছিলো অস্ত্র কারখানা । গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ মঙ্গলবার সকালে আচমকা অভিযান চালায় । পুলিশ সুত্রে জানা গেছে অভিযানে পুলিশের হাতে কয়েকটি সম্পূর্ন ও কয়েকটি অসম্পূর্ন পিস্তল উদ্ধার হয়েছে।এগুলি সেখানে তৈরী হয়েছিলো বলে জানা গেছে।

মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার প্রয়ীন প্রকাশ জানিয়েছেন নির্বাচনের দিনক্ষন ঘোষনার পর থেকেই জেলা জুড়ে আইন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেছে পুলিশ। এর মধ্যেই নন্দীগ্রামে এই লেদ কারখানায় অস্ত্র তৈরীর খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়েছে। দুই জনকে আটক করে জিজ্ঞসাবাদ শুরু হয়েছে। তবে এর পিছনে রাজনীতির কোনও যোগ নেই বলেও জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।

পুলিশ যাই বলুক না কেন চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। শুরু হয়েছে চাপান উতোর। ২০০৭ সালে জমি আন্দোলনের সময় প্রচুর অস্ত্র সমবেত হয়েছিল নন্দীগ্রামে। মাওবাদীদের হাত ধরেই সে সময় নন্দীগ্রামে অস্ত্র ঢুকেছিল বলে পুলিশ জানিয়েছিল। সিবিআইও পরবর্তী কালে সেই দাবিতে স্বীকৃতি দেয়। উত্তপ্ত নন্দীগ্রামের সেই পরিস্থিতিতে বাদ পড়েনি হাজরাকাটাও। ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির অন্যতম ঘাঁটি ছিল এই হাজরাকাটা। ফলে কৌতুহল বেড়েছে মানুষের। তৈরি অস্ত্র কোথায় কোথায় যেত খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। ছবি:প্রতীকি

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join