TRENDS

ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়াচ্ছে কর্মীরা, ঘাস ছেড়ে পদ্ম কিংবা পদ্ম ছেড়ে ঘাস, দড়ি টানাটানি চলছে

Abhirup Maity

বিশেষ সংবাদদাতা: যতই এগিয়ে আসছে বিধানসভা নির্বাচনে সময়, যতই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তৎপরতা ও তরজা, তেমনই শুরু হয়ে গিয়েছে দলবদলের পালা। দলবদলে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে কেউ আসছে বিজেপিতে, আবার কোথাও বিজেপি ছেড়ে মানুষ যোগ দিচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের শিবিরে। যুযুধান দুই পক্ষই দাবি করছে যে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে অন্য দল থেকে লোকজন যোগ দিচ্ছেন তাদের শিবিরে।

বুধবারই ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর এক ব্লকের সাতমা এলাকায় ছত্রধর মাহাতোর উপস্থিতিতে বিজেপি থেকে ত্রিশটি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন বলে দাবি করে তৃণমূল কংগ্রেস।
এবার ঘাটাল এলাকার বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করল যে বৃহস্পতিবার ঘাটালের পান্নাতে তাদের দলের একটি সভায় তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বিজেপি দলে যোগ দিলেন পঞ্চাশ জন । ঘাটালের বিজেপির যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক সমীর দলুই দাবি করেন যে তৃণমূল কংগ্রেসের দুর্নীতি ও দলবাজিতে বিরক্ত হয়ে এবং একমাত্র বিজেপিই যে মানুষের প্রকৃত বিকাশ ঘটাতে পারে তা উপলব্ধি করে এই পঞ্চাশ জন তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে আমাদের দলের সঙ্গে যুক্ত হলেন । তার দাবি শাসক দলের আরও অনেকেই বিজেপি দলেরসঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন ও খুব তাড়াতাড়ি দলে যোগ দেবেন । যদিও ঘাটালের বিধায়ক শঙ্কর দলুই দাবি করেন যে বিজেপি ছেড়ে মানুষ প্রতিদিন যুক্ত হচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে । কারণ তারা বুঝতে পারছেন একমাত্র মমতা ব্যানার্জি রাজ্যের উন্নয়ন করতে পারেন । অন্য কেউ নয় ।

এই দিকে ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর দুই ব্লকের তপশিয়া এলাকায় গত দুই দিনে বিজেপি থেকে প্রায় 350 জন তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা নিরঞ্জন দাস। তবে ঝাড়গ্রাম জেলার বিজেপি সভাপতি সুখময় শতপথী বলেন, মিথ্যা কথা বলে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকজন । বিজেপি থেকে কেউই তাদের দাকে যায় নি। বরং বিজেপি তেই যোগ দিচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের শিবিরের লোকজন ।

অন্যদিকে সোমবার, হাওড়া জেলার শ্যামপুর এলাকায় প্রায় একশ জন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন বলে দাবি করেন ওই এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা ।

Abhirup Maity

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অভিরূপ মাইতি একজন প্রতিশ্রুতিবান সংবাদকর্মী। খবরের অন্তরালে থাকা সত্য অনুসন্ধান এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করাই তার লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় টিমের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

Home Breaking E - Paper Video Join