TRENDS

খড়গপুরের সেই বিদ্যাসাগর পুরেই ফের ২করোনা পজিটিভ, পুলিশকে এড়িয়ে কলকাতায় গিয়ে মেডিকায় আক্রান্তের সাথেই ভর্তি স্ত্রী ও ছেলে

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: খড়গপুর রশ্মি মেটালিক কারখানার ছুটিতে থাকা আধিকারিকের সাথেই কলকাতার মেডিকা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হতে হল তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকেও। আর তাই নিয়ে খড়গপুরে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গেল ১৯য়ে আর সক্রিয় কোভিড রোগীর সংখ্যা হল ৫। মোট ১৯জনের মধ্যে ৪জনের মৃত্যু হওয়ায় শহরে কোভিড মুক্তের সংখ্যা ১০।

উল্লেখ্য ৭২ ঘন্টা আগেই খড়গপুর শহরে নতুন করে একই দিনে চার নতুন আক্রান্তের সন্ধান মিলেছিল। এই চারজনের মধ্যে ২৯নম্বর ওয়ার্ডের গোপালনগরের বাসিন্দা ৭০বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত রেলকর্মীর মৃত্যু হয় ডিসান হাসপাতালে। অন্য আক্রান্ত ৪নম্বর ওয়ার্ডের এক ব্যক্তি যাঁর বাবার কিছুদিন আগেই করোনা আক্রান্ত অবস্থাতেই রেলের হাসপাতালে মৃত্যু হয়। আরেক আক্রান্ত ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের এক দিল্লি ফেরৎ পরিযায়ী শ্রমিক। ওইদিনের চার আক্রান্তের মধ্যেই ছিলেন রশ্মির ওই ম্যানেজার। এই ম্যানেজারের ভাই কোভিড আক্রান্ত হয়েই মেডিকা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তাঁর দেখভাল করার জন্যই কারখানা থেকে ছুটি নিয়ে গেছিলেন ওই ম্যানেজার। দুর্ভাগ্য বশত সেই ভাই মারা যান।

এদিকে বাড়িতে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন এই ম্যানেজার। করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ ধরা পড়ায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সেই মেডিকা হাসপাতালেই। খবর পেয়েই পুলিশ বিদ্যাসাগরপুরের ওই এলাকায় কন্টেনমেন্ট জোন গঠন করে এবং ওই ম্যানেজার যেহেতু বাড়িতে এসে কয়েকদিন ছিলেন তাই তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকে করোনা পরীক্ষার নমুনা দেওয়ার জন্য খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে আসতে বলে কিন্তু মা ও ছেলে কলকাতায় চলে যায় কোয়ারেন্টাইন ও কন্টেনমেন্ট জোন উপেক্ষা করেই। নিয়ম অনুযায়ী কন্টেনমেন্ট জোন থেকে বাইরে যাওয়া যায়না।

একটি সূত্রে জানা গেছে খড়গপুর থেকে মেদিকা হাসপাতালে ওই ব্যক্তিকে যাওয়ার জন্য হাসপাতালে পৌঁছনোর পরেই তাঁদের নাম পরিচয় জানার পরই হাসপাতালের পরিচালন কমিটি সঙ্গে সঙ্গেই তাঁদের আলাদা করে নেন এবং দুজনের নমুনা সংগ্ৰহ করা হয় যা ওই দিনই রবিবার সন্ধ্যায় পজিটিভ আসে। সাথে সাথেই তাঁদের ভর্তি করে নেওয়া হয়। এদিকে খড়গপুরে এই খবর আসা মাত্রই ওই ম্যানেজারের পরিবারের আরও তিনজনের নমুনা সংগ্ৰহ করা হয়েছে করোনা পরীক্ষার জন্য।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join