TRENDS

অসুস্থ ছানাকে নিয়ে হাসপাতালে মা! অবস্থা দেখে হতবাক স্বাস্থ্য কর্মীরা, ট্যুইটারে দেখল সারা বিশ্ব

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: অসুস্থ ছানা কে নিয়ে সটান হাসপাতালে, মায়ের সেই আকুলতা, স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে সন্তান ভালো করে দেওয়ার আকুতি আপ্লুত করেছে সারা বিশ্বকে। এমনই কয়েকটি ছবি ট্যুইটারে পোস্ট করেছেন এক ব্যক্তি যিনি সেই সময় তাঁর এক আত্মীয়কে নিয়ে হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন। দেখতে পান অসুস্থ সন্তানের ঘাড় কামড়ে হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে হাজির এক মা বেড়াল। সন্তানকে হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মীদের পায়ের কাছে রেখে তাকিয়ে আছে করুন ভাবে। যেন বলছে, একে একটু দেখ তোমরা।অসুস্থ ছানাকে নিয়ে হাসপাতালে মা! অবস্থা দেখে হতবাক স্বাস্থ্য কর্মীরা, ট্যুইটারে দেখল সারা বিশ্ব

তুরস্কের ঐতিহাসিক শহর ইস্তানবুল (Istanbul) -এর একটি হাসপাতালে সেই ছবি মুহূর্তে মোবাইলের ক্যামেরা বন্দি করেছেন সেই ব্যক্তি যেখানে ধরা পড়েছে অসুস্থ সন্তানের ঘাড় কামড়ে ধরে সোজা হাসপাতালে আসা থেকে প্রতিটি মমতাময়ী দৃশ্য। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই ঘটনার ছবি প্রকাশ্যে আসতেই হতবাক হয়ে পড়েছেন নেটিজেনরা। তাঁদের কথায়, মায়ের থেকে যে স্নেহপ্রবণ আর কেউ হতে পারে না। যখন সে দেখে তার সন্তান বিপদে পড়েছে তখন সর্বশক্তি দিয়ে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। এই ঘটনা ফের তা প্রমাণ করল।

ইস্তানবুলের সেই বাসিন্দা মার্ভে ইজকান নামে এক টুইটারাট্টি ছবিটি শেয়ার করে লেখেন, আজ আমরা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ছিলাম। আচমকা একটি বিড়াল তার সন্তানকে ঘাড় কামড়ে ধরে সেখান নিয়ে আসে। বিষয়টি দেখে সেখানকার চিকিৎসকরা ওই বিড়াল শাবকের চিকিৎসার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। যতক্ষণ চিকিৎসকরা তার সন্তানকে দেখছিলেন ততক্ষণ তাঁদের দিকে লক্ষ্য রাখছিল মা বিড়ালটি। বিড়াল ছানাটিকে দেখার পাশাপাশি ওই বিড়ালটিকে খাবার আর দুধও খাওয়ান চিকিৎসকরা। পরে তাদের পশু চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হয়।

টুইটারে ছবিটি পোস্ট হওয়ার পরেই এখনও পর্যন্ত সেটি ৪ হাজার ৪০০ বার রিটুইট হয়েছে। পছন্দ করেছেন ৮২ হাজার মানুষ। যা দেখে এক টুইটারাট্টি লিখেছেন, বিড়ালও জানে কোথায় গেলে সে সাহায্য পাবে। কয়েক মাস আগে অন্যরকম আরেক ছবি দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের এক পথচারীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে অনুরোধ করেছিল পথ কুকুরের দল ।ব্যক্তি কে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর সারমেয়র দল হাসপাতাল চত্ত্বর ছাড়েনি ব্যক্তি সুস্থ না হওয়া অবধি। জানা গেছে ওই ব্যক্তি নিজের সংগৃহিত খাবার ভাগ করে খেতেন কুকুরদের সঙ্গে। দুটি ছবিই তুলে আনে এক অনাবিল মমতাভরা মুহূর্তকে।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join