TRENDS

ফের ঘাটালে করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলল, লুকিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী বহন করে আক্রান্ত যুবক, কোয়ারেন্টাইনে অর্ধশতাধিক

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: ঘাটাল মহকুমার দাসপুরের এক মুম্বাই ফেরৎ যুবকের হাত ধরে করোনা প্রবেশ করেছিল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়। যুবকের পাশাপাশি আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁর বাবা ও স্ত্রী। কয়েকদিন হল সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন যুবক ও তাঁর বাবা। জানা গেছে যুবকের স্ত্রীও সুস্থ হয়ে উঠছেন। জেলা জুড়ে স্বস্তির এই আবহাওয়ার মধ্যেই ফের আশংকা জাগিয়ে ঘাটাল শহরে ফের এক যুবকের করোনা আক্রান্ত হলেন। বৃহস্পতিবার ওই যুবকের কোভিড পজিটিভ নিশ্চিত হওয়ার পরেই তাঁকে পুর্ব মেদিনীপুরের মেচোগ্রামের কোভিড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের মূখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক গিরিশ চন্দ্র বেরা।

জানা গেছে ঘাটাল থানার রাধানগরের বাসিন্দা ওই যুবক ঘাটাল পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ফ্ল্যাট বাড়িতে ভাড়া থাকতেন স্ত্রী এবং দুই সন্তানকে নিয়ে। বছর ৪০ চল্লিশের ওই যুবক পেশায় অ্যাম্বুলেন্স চালক হলেও লকডাউনের সু্যোগে অ্যাম্বুলেন্স করেই যাত্রী বহন করেছেন। ঘাটাল থেকে কলকাতা সহ বিভিন্ন এলাকায় গোপনে যাত্রী বহন করেছেন বলে জানা গেছে। ২০ তারিখ ওই ব্যক্তি শ্বাসকষ্ট নিয়ে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালের পুরুষ বিভাগে ভর্তি হন, ওইদিন বিকালে তাঁকে সরিয়ে নেওয়া হয় আইসো লেশনে। কিন্তু চিকিৎসকের সন্দেহ হওয়ায় রাতেই সরিয়ে নেওয়া হয় মেদিনীপুর আয়ুষ হাসপাতালে। এর পর লালারস সংগ্রহ করা হয়। দু-দফা পরীক্ষায় কোভিড পজিটিভ ধরা পড়ে। বৃহস্পতিবার সেই ফল আসতেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় মেচেদা কোভিড হাসপাতালে।

ঘটনার পরই ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালের পুরুষ ও আইসোলেশন ওয়ার্ড বন্ধ করে দেওয়া হয়। আপাতত রুগী ভর্তি বন্ধ। স্যানেটাইজ করার পরই খোলা হবে ওয়ার্ড দুটি। যুবকের স্ত্রী ও সন্তান সহ যে ফ্ল্যাটে যুবক থাকতেন সেই পাঁচতলা ফ্ল্যাটের প্রতিটি সদস্যকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে যা সংখ্যায় প্রায় ৫০ জন। উদ্বেগে মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসক নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। আতঙ্ক ঘাটাল শহরেও। ওই যুবক কার কার সাথে মিশেছেন তা খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join