TRENDS

পুলিশ লাইন প্রবেশের পথে স্যানেটাইজ ট্যানেল চালু করল পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিশ

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: করোনা মোকাবিলায় নিজের কর্মী ও কর্মী পরিবারগুলিকে সুরক্ষা দিতে পুলিশ লাইনের প্রবেশ স্যানিটাইজ ট্যানেল চালু করল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। বুধবার থেকে পুলিশ লাইনে প্রবেশ করতে হলে এই ট্যানেলের মধ্যে দিয়েই প্রবেশ করতে হবে পুলিশ কর্মী ও তাঁদের পরিবারগুলিকে। এরফলে করোনা মোকাবিলায় কর্মরত খাঁকি উর্দির সৈনিকরা অনেকটাই বাড়তি মনোবল পাবেন বলেই মনে করছেন জেলার পুলিশ অধিকারিকরা।

বুধবার এই স্যানিটাইজ ট্যানেলের উদ্বোধন করতে গিয়ে জেলা পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার জানিয়েছেন, ”আমাদের যে কর্মীরা সারাদিন রাস্তায় কাজ করার পর পুলিশ লাইনে ফিরছেন তাঁরা যাতে নিজেকে জীবানু মুক্ত করে ঘরে ফিরতে পারেন তাই এই উদ্যোগ। কিন্তু এটা একটা অতিরিক্ত সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা মাত্র। এর পাশাপাশি আমাদের অন্যান্য সতর্কতা যেমন হাত ধোয়া , সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা ইত্যাদি করতেই হবে।”
উল্লেখ্য এই ট্যানেলটি একটি প্রবেশ পথের মধ্যে তৈরি করা হয়েছেন ‘হু’র স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেখানে জলের সাহায্য নিয়ে জীবানু নাশক ওষুধ কুয়াশা ঝড়ের মত কয়েকটি সাওয়ারের মধ্যে দিয়ে ছড়িয়ে পড়বে। দেশে ও বিদেশে এখন এই ট্যানেল অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক সাড়া দিয়েছে।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের এক অধিকারিক জানিয়েছেন, ” পুলিশকে মানু্ষের খুব কাছে গিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। অযাচিত বাইক আরোহী, রাস্তায় বের হওয়া মানুষকে সতর্ক করার জন্য কাছাকাছি যেতে হচ্ছে আমাদের। ফলে অনেকটাই ঝুঁকি প্রবন হয়ে যাচ্ছেন আমাদের কর্মীরা। তাঁরা যখন বাড়ি ফিরছেন তখন তাঁর জামা কাপড় কী বহন করছে জানার উপায় নেই। ফলে তাঁদের পরিবারও সেই ঝুঁকির আওতায় চলে আসছে। এই পরিস্থিতিতে এই স্যানেটাইজ ট্যানেলের ভীষন দরকার ছিল। আমাদের ভাল লাগছে যে পুলিশ সুপার এরকম একটি উদ্যোগ নিয়েছেন।”

স্যানেটাইজ ট্যানেল প্রতিস্থাপিত হওয়ায় দারুন স্বস্তিতে পুলিশ কর্মীরা। ট্রাফিক পুলিশে কর্মরত এক সাব ইনসপেক্টর জানালেন, ” করোনা পরিস্থিতিতেও আমাদের মানু্ষের বাইক, গাড়িতে হাত রাখতে হচ্ছে, পোশাক সংস্পর্শে আসছে মানু্ষের। এই পোশাকটি যখন বাড়ি পরে ফিরছি তা পরিস্কার করছেন আমার স্ত্রী বা মা , বোন। ফলে সংক্রমনের আওতায় তারাও চলে আসতে পারে। এবার খুব স্বস্তি পাচ্ছি।” উদ্বোধোন পর্বে  অনেককেই দেখা গেল মহানন্দে দু’চার বার নিজেকে কুয়াশা ঝড়ের ভেতর দিয়ে যাওয়া আসা করতে ।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join