TRENDS

দ্বিতীয় দফার লকডাউনে বাংলায় সকাল ১০টা থেকে ৬টা অবধি খোলা থাকবে বাজার

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: করোনা মোকাবিলায় বাংলায় দ্বিতীয় দফায় ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ ভিডিও বৈঠকের পরই দ্বিতীয় দফার লকডাউনের পাশাপাশি একগুচ্ছ নয়া সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করলেন মমতা। আর সেই সিদ্ধান্তের মধ্যে সব চেয়ে বড় ঘোষনা হল এবার সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা অবধি খোলা থাকছে বাজার। এর আগে বেলা ১১টা অবধি বাজার খোলা থাকত। কেবলমাত্র মিষ্টি দোকানগুলিকে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা অবধি দোকান খুলতে বলা হয়েছিল। মমতা ব্যানার্জীর এই সিদ্ধান্ত ঘোষনার পর সমস্ত বাজারই এখন ১০টা থেকে ৬টা অবধি খোলা রাখা যাবে। মূখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন কোনও বাজারই বন্ধ করা যাবেনা এবং বাজারের প্রয়োজনীয় কাঁচা মালের সরবরাহ অক্ষুন্ন থাকবে।
১০ জুন পর্যন্ত সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করেছেন মমতা। দ্বিতীয় দফার লকডাউনের সঙ্গ জুড়ে দেওয়া হচ্ছে গরমের ছুটিকে। এরপর দিন দেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি খোলা হবে তবে তার আগে স্যানেটাইজ করা হবে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
তাছাড়া এবার কৃষকদের জন্য নয়া অ্যাপ আনতে চলেছে মমতা সরকার, সে কথাও জানানো হয়েছে। ‘অন্নদাত্রী’ নামের এই নতুন অ্যাপে শস্য কেনা যাবে। অন্যদিকে, লকডাউনের গেরোয় যাঁরা বিস্কুট-পাঁউরুটি খেতে পারছেন না, তাঁদের জন্যও সুখবর দিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এবার থেকে লকডাউনের মধ্যেই বেকারি চালু করা হচ্ছে নিয়ম মেনে।
রাজ্যের বেকারি গুলি চালুর পাশাপাশি গম-তেলের মিল চালু করতে বলেছেন মমতা। অনলাইন ফুড ডেলিভারিকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ এবার ঘরে বসেই মিলবে পিৎজা, কেক এমন কী রেস্তোরাঁর খাবার। এর অর্থ রেস্তোরাঁ প্রকাশ্য খোলা না থাকলেও হোম ডেলিভারির জন্য কাজ করতে পারবে।
ছাত্রছাত্রীদের জন্য পয়লা বৈশাখের পর আরেকবার মিড ডে মিল দেওয়া হবে। স্কুল থেকে চাল আর আলু প্রথমবারের মতই নিয়ে আসবে পড়ুয়ারা। যদিও দিন সময়মত জানিয়ে দেওয়া হবে।
এমনিতেই পুলিশ ভিখিরি, ভবঘুরে ও আশ্রয়হীনদের জন্য রান্না করা খাবার পরিবেশন করছিল এবার যৌনপল্লিতে এবং বৃহন্নলাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করবে পুলিশ।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join