TRENDS

সপ্তাহান্তিক বাজারে ডিম আর মাছের যোগান,খুশিতে ফেটে পড়ল বেলদার খালিনা গ্রামের দিনমজুর পরিবার গুলি

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউনের বাজারে কোথাও কোথাও বাজার খোলা থাকলেও পকেটে পয়সা নেই গরীব দিন মজুর পরিবার গুলির। আর যে পয়সা রয়েছে তাতে আর যাই হোক মাছ কেনা চলেনা। গত ১৭/১৮ দিন তাই মাছের মুখ দেখেননি পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা থানার খালিনা গ্রামের প্রায় ১০০টি দিনমজুর পরিবার। এতদিন সরকারি পরিষেবায় চাল ডাল ইত্যাদি মিলছে। আলু ও শাক সবজির যোগান দিয়েছে স্থানীয় তৃনমূল নেতৃত্ব। শনিবার সপ্তাহান্তের শেষ দিনে সেই তৃনমূল কংগ্রেসের তরফ থেকেই প্রান্তিক পারিবার গুলিকে বিতরন করা হল মাছ।

না, মাছ বলতে ভিনরাজ্য থেকে লরিতে করে আসা বিলাসপুর বা অন্ধ্রপ্রদেশের চালানি মাছ নয়, রীতিমত স্থানীয় পুকুরে ধরা টাটকা মাছ। খালিনা গ্রামেরই একটি পুকুরে জেলেদের নামিয়ে এদিন ধরা হয়েছিল ১কুইন্টলেরও বেশি মাছ। মালিককে মাছের দাম মিটিয়ে সেই মাছ গ্রামের ১০০টি দরিদ্রতর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরিবার পিছু মাছ দেওয়া হয়েছে কম বেশি এক কিলো করে। এছাড়াও এদিন গ্রামের তিনশ পরিবারকে সদস্য সংখ্যা অনুপাতে ডিম বিতরন করা হয়। গ্রামের বয়স্ক মানুষদের ডেকে এনে খাওয়ানো হয় ডাব।

স্থানীয় তৃণমূল নেতা সুশান্ত ধল যিনি এখানকার প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য জানান, ”এই সব পরিবার গুলি এই এলাকার ১০০দিনের কাজের সঙ্গে যুক্ত। এঁদের যথেষ্ট প্রোটিন দরকার। তাছাড়া প্রতিদিন এক ঘেঁয়েমি খাবার ভালও লাগেনা। মুখ স্বাদ বদল করতে চায়। বিশেষ করে বাচ্চারা খুবই সমস্যায়। সব কিছু মাথায় রেখেই এই মাছ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাঁরা একেবারেই গরীব এমন পরিবারে মাছ ও সমস্ত পরিবারগুলির জন্য ডিম দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে পরিবার সংখ্যা প্রায় ৩০০।” বাড়িতে টাটকা মাছের খবরে ডগমগ বাসিন্দারা ।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join