TRENDS

শৌচালয়ের ভেতরে লুকিয়ে মজুত থরে থরে মদের বোতল, তমলুকে লকডাউনেও দেদার বিক্রি, হদিস পেয়ে মহিলারাই নষ্ট করে দিল

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা :শৌচালয়ের ভেতরে লুকিয়ে মজুত থরে থরে মদের বোতল, খদ্দের যাচ্ছে আর বাথরুমে ঢুকেই ঢুক ঢুক করে গিলেই বেরিয়ে আসছে। বাড়ির লোক বাইরে বেরিয়ে মাতাল হয়ে ঘরে ফিরছে! সব দিক চুপচাপ, শুধু মাতলামির জন্য বহাল গৃহ অশান্তি। চুপচাপ গায়েব হয়ে যাচ্ছে ঘটি বাটি।  লকডাউনের বাজারেও বাদ পড়েনি নেশায়। কাজ কর্ম নেই অথচ দিব্যি নেশায় ডুবে বাড়ির পুরুষ মানু্ষের দল। কোথায় মদের উৎস খুঁজে বের করে নিজের হাতে সব নষ্ট করে দিলেন মহিলারাই। নজির বিহীন ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক শহর থেকে সামান্য দুরত্বে ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে স্থানীয় গোটা এলাকায়।

বর্তমানে লকডাউন চলছে বলে রাজ্য সরকারের নির্দেশে সরকারি মদের দোকান সমস্ত বন্ধ রয়েছে।তা সত্ত্বেও চড়া দামে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি হচ্ছে দেশি মদ। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক সদর শহর লাগোয়া নকিবসান ও আশে পাশের গ্রামের মহিলারা বুঝতেই পারছিলেন না কোথা থেকে বাড়ির পুরুষেরা মদ খেয়ে আসছে, বাড়িতে মাতলামি করছে। সমস্ত মদের দোকান বন্ধ থাকলেও ওই গ্রামে কিভাবে মদ আসছে তা এলাকার মানুষ বুঝে উঠতে পারছে না। এরপরই খোঁজ নিতে শুরু করেন মহিলারাই । তারপর জানা যায় গ্রামেরই এক ব্যক্তি লুকিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে ব্যবসা।

এরপরই মঙ্গলবার সকালে তৈরি হয়ে যায় প্রমীলা বাহিনী। দল বেঁধে হানা দেয় নকীবসান গ্রামের ওই বাড়িতে হানা দিয়ে মহিলারা মদের ঠেকে গিয়ে সমস্ত মদ বের করে নষ্ট করে দেয়। ঘটনাস্থলে তমলুক থানার পুলিশ যায়। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় মদ বিক্রেতা। তমলুক থানার পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। লক ডাউন এর সময় কিভাবে এতো এত মদ এলাকায় এল? তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। যদিও উত্তেজিত মহিলারা দাবি করেছেন, পুলিশ সবই জানে। রাস্তাঘাট জুড়ে যেখানে সর্বত্রই পুলিশের পাহারা সেখানে বাইরে থেকে ওই ব্যক্তির বাড়িতে মদ কি ভাবে এসে পৌঁছাত?

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join