নিজস্ব সংবাদদাতা: বহু প্ৰতীক্ষার পর গত সোমবার প্রকাশিত হয়েছে উচ্চ প্রাথমিক স্তরে শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউয়ের তালিকা। তবে কবে ইন্টারভিউ হবে, সে বিষয়ে আপাতত সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে সূত্রের খবর, আগামী মাসে শুরু হতে পারে উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া। করোনা পরিস্থিতিতে সম্ভবত ভার্চুয়ালি নেওয়া হবে ইন্টারভিউ।
এমনিতেই দীর্ঘ টালবাহানার পর সোমবার সন্ধ্যায় উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউয়ের তালিকা। যে যে প্রার্থীরা ইন্টারভিউয়ের জন্য় নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের নাম দেওয়া হয়েছে। কবে ইন্টারভিউ হবে, সে বিষয়ে বিশদে কিছু জানানো হয়নি। এই উচ্চ প্রাথমিক স্তরে নিয়োগ প্রক্রিয়া একাধিকবার অনিয়ম এবং অস্বচ্ছতার অভিযোগে আইনি জটে থমকে গিয়েছে। স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) সূত্রে খবর, ইন্টারভিউ কবে হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকার।
তবে সদ্য প্রকাশিত তালিকা নিয়েও বিতর্ক কাটছেনা। নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকায় কোনো রকম নম্বর দেখানো হয়নি। ফলে এবারেও বহু চাকরি প্রার্থীর অভিযোগ এই তালিকাতেও দুর্নীতি হয়েছে। বহু চাকরি প্রার্থীর দাবি যাঁরা ডাক পেয়েছেন তাঁদের সম্পুর্ন যোগ্যতা এবং লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর প্রকাশ করতে হবে। এ বিষয়ে অবশ্য এসএসসির তরফে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আশঙ্কা এই তালিকা নিয়েও আদালতে মামলা হতে পারে।
ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশের আগে সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, উচ্চ প্রাথমিক স্তরে ১৪,০০০ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এবারের পুজোর আগেই সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হবে। যদিও গত ১১ ডিসেম্বর উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে অবৈধ হিসেবে ঘোষণা করার সময় কলকাতা হাইকোর্টের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ শেষ করতে হবে।
সে বিষয়ে অবশ্য কোনও মন্তব্য করেননি মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রী জানান, মামলা চলার কারণে দীর্ঘদিন নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে ছিল। কড়া বার্তা দেন যে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনও লবিবাজি চলবে না। বলেন, ‘শিক্ষকদের মেধাই, তাঁদের পরিচয়। এ নিয়ে কারও কাছে লবি করার কোনও প্রয়োজন নেই। যাঁরা পরীক্ষা দিয়েছেন, পরীক্ষায় পাশ করেছেন, তাঁরা চাকরি পাওয়ার অধিকারী। কোর্টে কেস চলছিল বলে এতদিন আটকে ছিল।’






