TRENDS

এবার জোড়া মৃতদেহ ভাসতে দেখা গেল মালদার গঙ্গায়! উত্তরপ্রদেশ নাকি বিহারের, এলাকায় নদী পাড়ে

Chandramani Saha

এবার জোড়া মৃতদেহ ভাসতে দেখা গেল মালদার গঙ্গায়! উত্তরপ্রদেশ নাকি বিহারের, এলাকায় নদী পাড়েনিজস্ব সংবাদদাতা: বিহারের গঙ্গার পর এবার বাংলার গঙ্গাতেও ভাসতে দেখা গেল। গত মাসেই আগে বিহারের উত্তরপ্রদেশ সীমান্তে একের পর এক লাশ গঙ্গানদীতে ভাসতে থাকায় তোলপাড় হয়েছিল দেশ। বিহারের স্থানীয় প্রশাসন থেকে দাবি করা হয়েছিল লাশ গুলি উত্তর প্রদেশ থেকে ভেসে আসা। মনে করা হয়েছিল করোনা রুগীর লাশ নিয়মমত সৎকার না করে গঙ্গায় ভাসিয়ে দিয়েছিল উত্তরপ্রদেশের স্থানীয় প্রশাসন। এবার সেরকমই লাশের দেখা মিলল পশ্চিমবাংলার মালদা জেলার গঙ্গা নদীর অন্তর্গত একটি চর থেকে।

 মালদার স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে শনিবার সকালে মালদার মানিকচকের ভূতনির চরে গঙ্গায় দেহ দুটি দেখতে পান মৎস্যজীবীরা। পুলিশে খবর দিলে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, দেহ কোথা থেকে এসেছে তার বিস্তারিত তদন্ত হবে। উত্তরপ্রদেশে লাশ বিহার হয়ে বাংলায় ভেসে আসতে পারে এই আশঙ্কায় মালদায় গঙ্গা নদীতে পাহারা বসায় রাজ্য প্রশাসন। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এও জানিয়ে দেন এরাজ্যে লাশ পাওয়া গেলে স্থানীয় প্রশাসন তার সৎকার করবে।

যদিও এতদিন অবধি সেরকম কিছু পাওয়া যায়নি। এতদিন ধরেও যখন লাশ আসেনি তাই আর সেরকম কোনও লাশ আসবেনা বলেই ধরে নেওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যে বিহার সরকারও নদী বক্ষে টহলদারির ব্যবস্থা করেছে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই  হঠাৎ শনিবার মানিকচকের হীরানন্দপুর এলাকায় কচুরিপানার নীচে ২টি দেহ দেখতে পান স্থানীয় মৎস্যজীবীরা। মানিকচক থানার পুলিশ এসে দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।

প্রযদিও শাসনের তরফে জানানো হয়েছে, প্রথমেই জানতে হবে এই মৃতদেহ দুটি আদৌ করোনা আক্রান্তের দেহ কিনা। তারপর কোথা থেকে ভেসে এল তার তদন্ত হবে। দেহ করোনায় মৃতদেরই কি না তা জানতে করা হবে ফরেন্সিক পরীক্ষা। ওদিকে আগে থেকেই এলাকায় করোনায় মৃতদের লাশ নিয়ে ছড়িয়ে ছিল আতঙ্ক। দেহ মেলার পর থেকে গঙ্গার ধারকাছ মাড়াচ্ছেন না কেউ। আতঙ্কে রয়েছেন নদীবক্ষে জীবিকার তাগিদে যাওয়া মৎসজীবী ও মাঝিরা।
Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join