TRENDS

ফের পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ নিহাঙ্গ শিখদের! এলোপাথাড়ি তরবারির কোপে হাত কাটল দুই পুলিশ আধিকারিকের

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: ফের একবছর আগের ভয়াবহ মর্মান্তিক দৃশ্য ফিরে এল পাঞ্জাবে। পাঞ্জাবের নিহাঙ্গ শিখদের (Nihang Sikh)সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে গুরুতর আহত হলেন ২ পুলিশ আধিকারিক। তাঁদের হাতে তরোয়ালের কোপ মারা হয় বলে অভিযোগ। রবিবার পাঞ্জাবের তরণ তারণের এই ঘটনা ঘটেছে কয়েকজন অপরাধীর তল্লাশিতে গিয়ে। জানা গেছে ওই অপরাধীদের ধরতে গিয়েই নিহাঙ্গ শিখদের হাতে আক্রান্ত হন ওই পুলিশ আধিকারিকরা। খোলা তরোয়াল নিয়ে পুলিশের উপর চড়াও হন নিহাঙ্গ শিখরা। পাঞ্জাব পুলিশের ওই ২ পদস্থ আধিকারিক ছাড়াও আরও কয়েকজন আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পাঞ্জাব পুলিশ।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তরণ তারণের সুর সিং গ্রামে খুনের অপরাধে অভিযুক্ত নিহাঙ্গ শিখ সম্প্রদায়ের ২ ব্যক্তি মহারাষ্ট্র থেকে পালিয়ে এসে লুকিয়ে আছে বলে খবর মেলে। এই দুই অভিযুক্ত মহারাষ্ট্রের নান্দেড়ে এক ব্যক্তিকে খুন করে বলে অভিযোগ। মহারাষ্ট্র পুলিশ সূত্রে এই খবর পেয়েই বিশাল বাহিনী নিয়ে সেখানে অভিযান চালায় পাঞ্জাব পুলিশ। কিন্তু ওই ২ অভিযুক্তের নাগাল পাওয়ার আগেই পুলিশকে গ্রামের মধ্যে ঘিরে ফেলে নিহাঙ্গ শিখ অধ্যুষিত গ্রামের কিছু বাসিন্দা। শুরু হয়ে যায় সংঘর্ষ। নিহাঙ্গ শিখরা খোলা তরোয়াল নিয়ে পুলিশের উপর ঝঁপিয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। এরপর প্রায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় তরণ তারণের ওই এলাকা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহাঙ্গ শিখদের আক্রমণে ভালতোহার এসওএইচ নরেন্দ্র সিং এবং এসএইচও বলবিন্দর সিং গুরুতর আহত হন। তাঁদের হাতে তরোয়ালের কোপ পড়ে। সেইসঙ্গে আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন পুলিশ কর্মী। সবাইকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভরতি করা হয়।

উল্লেখ্য এরকমই একটি ভয়াবহ ঘটনা প্রথম নজরে এসেছিল লকডাউন চলাকালীন অবস্থায়। পাঞ্জাবের পাটিয়ালায় লকডাউন অমান্য করে চলছিল। সবজি বাজারে ঢোকার চেষ্টা করে দুই নিহাঙ্গ শিখ। পুলিশ তাঁদের আটকানোর চেষ্টা করে। তখনই তরোয়াল নিয়ে পাঞ্জাব পুলিশের ওই সাব ইন্সপেক্টরকে আক্রমণ করে বসেন ওই নিহাঙ্গ শিখ। পুলিশকর্মীর হাতে তরোয়ালের কোপ মারা হলে তাঁর হাত হাত কব্জির ওপর থেকে কেটে মাটিতে পড়ে যায় বলে অভিযোগ। সেবারও ওই পুলিশ অফিসারকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভরতি করা হয়। ৭ ঘন্টার অপারেশন করে সেই হাত জোড়া লাগাতে সক্ষম হয়েছিলেন চিকিৎসকরা।

 

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join