TRENDS

নির্বাচনের ঘন্টা বাজতেই বাংলায় শুরু রাজনৈতিক সংঘর্ষ, নদিয়ায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু শাসকদলের কর্মী

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন যত কাছে আসছে ততই বাড়ছে উত্তেজনা। সরকারি ভাবে এখনও নির্বাচন নির্ঘন্ট ঘোষণা হয়নি ঠিকই কিন্তু সোমবার মেদিনীপুরের মাটিতে থেকেই নির্বাচনের ঢাক বাজিয়ে দিয়েছেন খোদ মূখ্যমন্ত্রী নিজেই। গত কয়েকটি নির্বাচনের অভিজ্ঞতা বড় মর্মান্তিক এই বাংলায়। প্রাক নির্বাচন, নির্বাচন চলাকালীন এবং নির্বাচনোত্তর রাজনৈতিক মৃত্যু কলঙ্কিত করেছে বাংলাকে।

নির্বাচনী হিংসায় দেশের মধ্যে প্রথম সারিতেই এই রাজ্য। আশঙ্কার কারন এই যে এবারও হয়ত তার ব্যতিক্রম হচ্ছেনা। শাসক বিরোধী শিবিরের তরজা, চাপান উতোর আর হিংসার মধ্যেই সোমবার নদিয়ায় বলি হলেন খোদ শাসক দলেরই এক কর্মী।  এবারের ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার গয়েশপুরে। যেখানে দুই রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে বুকে গুলি লেগে মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে এক তৃণমুল কর্মী বাপ্পা সরকারের।তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তে দলের অভ্যন্তরে নেমেছে শোকের ছায়া।জানা যায় পেশায় চায়ের দোকানদার বাপ্পা সরকারের বাড়ি গয়েশপুরের সুকান্তনগরে।

সোমবার গয়েশপুর পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে লিফলেট বিলি করছিল বিজেপি কর্মীরা।তৃণমুল সূত্রে খবর বাপ্পা সরকার পুরসভার ২২৫ নম্বর বুথের দলীয় এজেন্ট।এদিন এক দু কথায় বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তার বচসা শুরু হয়।অভিযোগ সেসময়ই কোনো এক বিজেপি কর্মী পয়েন্ট ব্ল্যাক রেঞ্জ থেকে বাপ্পার বুকে গুলি চালায়।ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়ে বাপ্পার রক্তাক্ত দেহ।

যদিও অভিযোগ নাকচ করেছে বিজেপি।তাদের দাবী তৃণমুলের অন্তর্দ্বন্দের ফলাফল এই মৃত্যু।নইলে কোনো দুষ্কৃতির কাজ। বাপ্পার পরিবারের দাবি, গতকাল সাড়ে ৫টা নাগাদ বাপ্পাকে লক্ষ করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তার বুকে গুলি লাগে। কল্যাণীর জে এম এম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা ওই তৃনমূল কর্মীকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় এক বিজেপি নেতার দাবি, তিনি ও নিহত তৃণমূল কর্মী একসঙ্গে দাঁড়িয়েছিলেন। তখনই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা গুলি চালায়। তাকে বাঁচাতে গিয়ে বাপ্পা গুলিবিদ্ধ হন বলে চাঞ্চল্যকর দাবি স্থানীয় বিজেপি নেতার।

এদিন বাপ্পা সরকারের মৃত্যুর খবর শুনে তার পরিবারের পাশে গিয়ে দাড়ান গয়েশপুর তৃণমুল কংগ্রেসের সভাপতি সুকান্ত চট্টোপাধ্যায়।তিনি মৃত্যুর তদন্তের দাবী জানিয়েছেন।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join