TRENDS

১১৮ বছরের রেকর্ড ভাঙল দিল্লি, শিলিগুড়িতে তুষারপাত, আরও ৪৮ ঘণ্টা শৈত্য প্রবাহ খড়গপুর মেদিনীপুর ঝাড়গ্রামে

Abhirup Maity
১১৮ বছরের রেকর্ড ভাঙল দিল্লি, শিলিগুড়িতে তুষারপাত, আরও ৪৮ ঘণ্টা শৈত্য প্রবাহ খড়গপুর মেদিনীপুর ঝাড়গ্রামে

  নিজস্ব সংবাদদাতা: আগামী ৪৮ ঘণ্টা অর্থাৎ শনিবার ও রবিবার দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলাতেই শৈত্যপ্রবাহ বইবে বলে জানিয়ে দিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। যার মধ্যে রয়েছে খড়গপুর মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামও। হাওয়া অফিস জানিয়েছে শুক্রবারই শুরু হয়ে গেছে এই শৈত্যপ্রবাহ যা স্থায়ী হবে কমপক্ষে রবিবার অবধি।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে,  বড়দিনের মেঘবৃষ্টিতে কিছুটা দমে গেলেও মেঘ কাটতেই স্বমেজাজে ফিরতে চলেছে শীত। ফের শৈত্যপ্রবাহের মুখে পড়তে চলেছে গাঙ্গেয় বঙ্গ। তবে মাঝপৌষে আবার বৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে ।  পাশাপাশি শীতল দিনের সতর্কতাও জারি করেছে হাওয়া অফিস। সব মিলিয়ে বর্ষশেষে জাঁকিয়ে শীত উপভোগ করতে পারবে রাজ্য ।  আবহবিজ্ঞানীরা বলছেন,  শীতকালে রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যদি ১০ ডিগ্রি বা তার নীচে পৌঁছয় এবং তা যদি স্বাভাবিকের থেকে ন্যূনতম পাঁচ ডিগ্রি কম হয়, সেটাকেই বলে শৈত্যপ্রবাহ। রাতের তাপমাত্রা যদি ১০ ডিগ্রিতে পৌঁছয় ও সেই অবস্থায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যদি স্বাভাবিকের থেকে পাঁচ ডিগ্রি কম থাকে, তা হলে বলা হয় শীতল দিন।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
এদিকে শুক্রবার দুপুরেই বরফের দেখা মিলল শিলিগুড়ি থেকে সামান্য দূরে,দার্জিলিং যাওয়ার পথে।এদিন  সকালেই শিলিগুড়িতে শিলাবৃষ্টি হয়। বৃষ্টি হয় দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পয়েও। সোশ্যাল মিডিয়া উপচে পড়তে থাকে পর্যটকদের তোলা ছবিতে। পাহাড়বাসীরা এই অবস্থায় মনে করছিলেন, তুষারপাত অবশ্যম্ভাবী। বেলা গড়াতেই ফলল তাঁদের কথা। এ দিন দুপুর ৩টে নাাগাদ দেখা যায়, শিলিগুড়ি থেকে তিনধরিয়া হয়ে দার্জিলিং যাওয়ার পথে এক বিস্তীর্ণ অঞ্চল বরফের চাদরে ঢেকে গিয়েছে। বরফপাত হয়  লাচুং, সোনাদা, কালিম্পংয়ের রিশপেও।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
তবে সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে দিল্লি। শনিবার সকাল ৬.১০টায় দিল্লির তাপমান ছিল ২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিল্লি, উত্তর  রাজস্থান, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশ কার্যত ঠান্ডায় জমে রয়েছে। ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকা দিল্লির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৩.৪। আবহাওয়া দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী দিনের সর্বোচ্চ তাপমান যে মাসে ২০ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকে তখনও শীতলতম মাস বলা হয়।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
দিল্লির হিসাব অনুযায়ী ১৯১৯,১৯২৯,১৯৬১,১৯৯৭ সালে এরকমই শীতল ডিসেম্বর ছিল যেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৯.৮৫ `থেকে ১৯.১৫ ডিগ্রি ছিল। তবে রেকর্ড ছিল ১৯০১ সালে যখন সর্বোচ্চ তাপমান ১৪ ডিগ্রি ছিল। ১৯৯২ সালে তা নেমেছিল ১৩.৪ ডিগ্রিতে। তবে ১১৮বছরের সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে এই ডিসেম্বরের দিল্লি। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমান ১৯.১৫ তো ছিলই তার সংগে সর্বনিম্ন ছিল ৪.২তে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্নের এই কম্বিনেশন দিল্লি এর আগে দেখেনি।

Abhirup Maity

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অভিরূপ মাইতি একজন প্রতিশ্রুতিবান সংবাদকর্মী। খবরের অন্তরালে থাকা সত্য অনুসন্ধান এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করাই তার লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় টিমের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

Home Breaking E - Paper Video Join