TRENDS

করোনা কালে মহালয়ার তর্পণ! কাঁসাইকে স্বাক্ষী রেখে পিতৃপুরুষ বন্দনায় খড়গপুর মেদিনীপুর

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: প্রতিবছরই হয়ে থাকে কিন্তু এ বছরটা আলাদা। এ বছর যেন সবকিছুই যেন এলোমেলো হয়ে যাওয়ার যোগাড়। একে করোনা কাল, তায় এক আশ্বিনে ২ অমাবস্যা পড়ায় দুর্গাপূজা পিছিয়ে গেছে ১মাস। এসবের মধ্যেই চলে এসেছে মহালয়া। খড়গপুর মেদিনীপুরের হাজার হাজার মানুষকে দেখা গেল কাঁসাই নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করতে। করোনা কালে মহালয়ার তর্পণ! কাঁসাইকে স্বাক্ষী রেখে পিতৃপুরুষ বন্দনায় খড়গপুর মেদিনীপুর
করোনা কালে সেই হুড়োহুড়ি অবশ্য নজরে পড়েনি। নিয়ম মেনেই মেদিনীপুরের পাথরঘাটা, গান্ধীঘাট, আ্যনিকেট, নজরগঞ্জ, আমতলায় যেমন ভিড় ছিল ঠিক তেমনই খড়গপুরের দিকে মাতকাতপুর, বড়কলা, মহেশপুর, লিলুয়াকোলায় জমা হয়েছিলেন বহু মানুষ।করোনা কালে মহালয়ার তর্পণ! কাঁসাইকে স্বাক্ষী রেখে পিতৃপুরুষ বন্দনায় খড়গপুর মেদিনীপুর
মেদিনীপুর থেকে নদীর দূরত্ব কম তাই সহজেই বড়বাজার, ছোটবাজার, জগন্নাথমন্দির, পাটনাবাজার, সুজাগঞ্জ, নজরগঞ্জ হয়ে মানুষ নদীর কাছে পৌঁছে গেছেন। খড়্গপুরের গ্রামীন অংশে নদী গায়ে পড়া হলেও শহরের দূরত্ব ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার হলেও দূরত্ব বাধা হয়নি। মালঞ্চ, খরিদা, ইন্দা প্রভৃতি এলাকা থেকে স্কুটি,স্কুটার, বাইকে করেই মানুষ ছুটেছেন পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে।
করোনা কালে মহালয়ার তর্পণ! কাঁসাইকে স্বাক্ষী রেখে পিতৃপুরুষ বন্দনায় খড়গপুর মেদিনীপুরদু’পাড়েই পুলিশের পক্ষ থেকে ছিল কড়া নজরদারি। কোথাও ঘাট নিরাপত্তা তো কোথাও সামাজিক দূরত্ববিধি মানার অনুরোধ। সবাই যে নিয়ম মেনেছেন এমনটা নয় কিন্তু যারা বুঝেছেন তাঁরা মেনেছেন। অনেককেই দেখা গেছে মাস্ক পরে যথেষ্ট দূরত্ব মেনে তর্পণ করেছেন। দ্য খড়গপুর পোষ্টের পক্ষ থেকে কিছু ছবি তুলে ধরা হল পাঠকের জন্য। ভাল লাগলে বন্ধুবান্ধবদের পাঠান, শেয়ার করুন। শুভ মহালয়া।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join