TRENDS

এবার পিংলায় করোনা আক্রান্ত মহিলা পুলিশ কর্মী, ডেবরাতেও আক্রান্ত পুলিশ, দুই থানা এলাকায় সংক্রমনে আরও দুই

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: ধিরে কিন্তু ছন্দ রেখেই করোনা সংক্রমিত হচ্ছে ডেবরা এবং পিংলা। সংক্রমনের এই গতি প্রথম দিকে এলাকার মনে যে আত্মবিশ্বাস তৈরি করে দেয় তারই ফাটল দিয়ে অবলীলায় করোনা ঢুকে পড়ে লখিন্দরের লোহার বাসর ঘরের মতই। যেমনটা শুরুতে শামুকের গতি দিয়ে শুরু করে ডেবরা থানা এলাকা অর্ধশত আক্রান্তের পথে এগিয়ে চলেছে আবার মাস দুয়েক আগেও যে পিংলা থানায় করোনা ছিলই না এখন তা ১০ ছুঁই ছুঁই।

শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্টে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই ডেবরা এবং পিংলা থানা এলাকায় ২জন করে মোট ৪জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে দেখা যাচ্ছে। দুই থানা এলাকায় আবার আক্রান্তদের মধ্যে ১জন করে পুলিশ কর্মী রয়েছেন যার মধ্যে একজন আবার মহিলা। এই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে পিংলা থানার এক ২৭ বছরের মহিলা পুলিশ কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন যিনি একজন কনস্টেবল পদ মর্যাদার।

উল্লেখ্য এই নিয়ে পিংলা থানার দ্বিতীয় কোনও পুলিশ কর্মী আক্রান্ত হলেন। অন্যদিকে ডেবরা থানাতে যে পুরুষ পুলিশ কনস্টেবল আক্রান্ত হয়েছেন তাঁর বয়স ৪৭ বছর এবং এই নিয়ে ডেবরা থানা এলাকায় ৫জন পুলিশ কর্মী আক্রান্ত হলেন। ডেবরা থানায় আবার এক পুলিশ কর্মীর সংস্পর্ষে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানও আক্রান্ত হয়েছেন।

শনিবারের রিপোর্ট মোতাবেক ডেবরা থানা এলাকায় আক্রান্ত অপর ব্যক্তি ৮৪ বছরের এক বৃদ্ধ যাঁর বাড়ি ডেবরা বাজার এলাকায়। অন্যদিকে পিংলার ৬৩ বছরের আক্রান্ত বৃদ্ধের বাড়ি ক্ষীরাইয়ের কাঁটাপুকুর এলাকায়। শনিবারে রিপোর্ট মোতাবেক পিংলা থানা এলাকায় মোট আক্রান্ত ৭ জন আর ডেবরা থানা এলাকায় মোট আক্রান্ত কম বেশি ৪০ জন।  পিংলায় এখনও অবধি কোনও করোনা মৃত্যুর ঘটনা না ঘটলেও ডেবরা থানা এলাকায় একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। রবিবার অবশ্য আশার কথা একটাই যে দুই থানা এলাকা থেকে নতুন করে আক্রান্ত মেলেনি।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join