TRENDS

করোনা আক্রান্ত হয়ে দ্বিতীয় মৃত্যু ভারতে, ইউরোপ থেকে ফেরা ছেলের সংক্রমনে মৃত্যু ৬৮ বছরের বৃদ্ধার

Abhirup Maity

নিজস্ব সংবাদদাতা: করোনা ওরফে কোভিড-১৯ ভাইরাসকে বিশ্ব মহামারী বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’র ঘোষনার দিনই ঘাতক ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে দ্বিতীয় মৃত্যু হল ভারতে। মঙ্গলবার কর্ণাটকে কালবুর্গি বলে এক ৭৬ বছর বয়সী বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনা ঘটার পর বৃহস্পতিবার রাতের কর্নাটক সরকার ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক ঘোষনা করে যে ওই বৃদ্ধের করোনা সংক্রমন নিশ্চিত হয়েছে। ভারতে সেটাই ছিল করোনার প্রথম শিকার। শুক্রবার সেই ভাইরাসেই আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল রাজধানী দিল্লির জনকপুরীর ৬৮ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার। মৃতার নাম প্রীতি সুদন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে করোনা সংক্রমনের কারনেই মৃত্যু হয়েছে সুদনের।

 

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে এখবর জানিয়ে বলা হয়েছে রাজধানী দিল্লিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে তিনি ষষ্ঠ রোগী ছিলেন। বেশ কিছু দিন ধরেই উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়বিটিসে ভুগছিলেন ওই বৃদ্ধা। দিল্লির রামমনোহর লোহিয়া হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। বৃদ্ধার ছেলে ইউরোপ থেকে ফিরলে তাঁর‌ দেহে করোনা ভাইরাস ধরা পরে। ছেলের থেকেই রোগ সংক্রমিত হয় মায়ের। বৃদ্ধার ছেলেও হাসপাতালে ভর্তি। তাঁর চিকিৎসা চলছে।
এদিকে দেশজুড়ে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা। ইতিমধ্যেই ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৮১। তার মধ্যে ৬৪ জন ভারতীয়। বাকি ১৬ জন ইটালির ও একজন কানাডার বাসিন্দা।

 

প্রানঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হওয়া ৭৬ বছরের কালবুর্গি সৌদি আরব থেকে ফেরার পরেই অসূস্থ হয়ে পড়েন এবং মঙ্গলবার মৃত্যু হয় তাঁর। দ্বিতীয় মৃত্যু প্রীতি সুদনের ক্ষেত্রেও সেই বিদেশ যোগ পাওয়া গেল ইওরোপ থেকে ফেরা ছেলের থেকে সংক্রামিত হওয়ার ফলে ।
এদিকে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের বিদেশ সফর বাতিল করতে বলেছেন। বাতিল হয়ে গেছে বিশ্ব জুড়ে একাধিক খেলা। চূড়ান্ত সতর্কতা হিসাবে শুক্রবার রাতেই নিজেদের সমস্ত সরাসরি ক্লাশ বাতিল করে অনলাইনে ক্লাশ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন বড় প্রতিষ্ঠান গুলিও সেই পথ নিয়েছে। বাতিল করা হয়েছে সমস্ত আন্তর্জাতিক সেমিনার ও সম্মেলন।

Abhirup Maity

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অভিরূপ মাইতি একজন প্রতিশ্রুতিবান সংবাদকর্মী। খবরের অন্তরালে থাকা সত্য অনুসন্ধান এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করাই তার লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় টিমের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

Home Breaking E - Paper Video Join