TRENDS

সাধ্যের মধ্যে শ্রদ্ধার দান বাড়িয়ে দিলেন বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার করনিকরা

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: সাধ আছে কিন্তু সাধ্য ততটা নেই। বাংলা জুড়ে তাঁদের সংখ্যাও যথেষ্টই কম। পাহাড় ঠেলেনে বটে কিন্তু পর্বত প্রমান পারিশ্রমিক জোটেনা। তবুও তারই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের করোনা যুদ্ধের জন্য গঠিত জরুরি তহবিলে দশ লক্ষ তেতাল্লিশ হাজার দুই শত কুড়ি টাকা তুলে দেওয়া দিলেন পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার করনিকরা। মঙ্গলবার ওই মূল্যের ডিমান্ড ড্রাফট শিক্ষামন্ত্রীর হাতে তুলে দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক শ্রী তন্ময় সরকার।

তন্ময় সরকার জানান, পশ্চিমবঙ্গের ২৩ টি জেলা থেকে ২৩০৮ জন সরকার পোষিত স্কুল ও মাদ্রাসার করণিক এই অনুদান দিয়েছেন। আমাদের কর্মী বন্ধুদের সংখ্যা প্রায় ১০হাজার। লকডাউনের মধ্যে সবার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি । আবার অনেক জায়গায় যোগাযোগ করার পর আমরা জানতে পেরেছি তাঁরা ব্যক্তিগত ভাবেই ওই  তহবিলে দান করেছেন । সব মিলিয়ে করনিকদের দান আরও বেশি তবে আমরা সম্মিলিত ভাবে যেটা সংগ্রহ করে দান করেছি সেই অঙ্কটা উল্লেখ করলাম ।

সংগঠনের এক সদস্য জানান, স্কুল ও মাদ্রাসার করণিকরা আর্থিকভাবে বঞ্চিত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে করণিকদের সংখ্যাও অত্যন্ত কম। কাজের মানদণ্ডে তাদের বেতন অত্যন্ত কম। তা সত্বেও করোনা অতিমারির কারণে যে সর্বাত্মক বিপর্যয় আজ বিশ্বব্যাপী নেমে এসেছে, সেখানে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমরা শ্রদ্ধা নিয়েই এটুকু করতে পেরেছি।

সংগঠনের খড়গপুরের অন্যতম সদস্য হৃৎকিশোর হাউলী  জানান, ‘আমরা পশ্চিম মেদিনীপুরের পক্ষ থেকে ওই তহবিলে ৬২হাজার ৬৬১টি টাকা সংযুক্ত করতে পেরেছি। মঙ্গলবার কলকাতায় শিক্ষামন্ত্রীর হাতে লকডাউনের নিয়ম ও করোনা স্বাস্থ্য বিধি মেনেই ওই ড্রাফট তুলে দেওয়া হয়েছে।’

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join