কুঁয়াপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ধামকুড়িয়া গ্রামের বিধবা সুলোচনা রায় এবং তাঁর ৭৫%ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়িটি সৌভাগ্যবান কারন তাঁরা একের পর এক আইলা, ফনি, আমফান, যশ সহ অন্ততঃ ১০টি সাইক্লোন পেরিয়েও টিকে আছেন, বেঁচে আছেন। যেন পঞ্চায়েত আর প্রশাসন মিলে তাঁদের টিকে থাকার ক্ষমতা পরখ করে চলেছে গত প্রায় ১২বছর ধরে। এরমধ্যে বার বার তাঁর নাম উঠেছে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তালিকায়। ২বার ছবিও তুলে নিয়ে গেছে গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে কিন্তু বাড়ি হয়নি। সুলোচন রায়ের স্বামী মারা গিয়েছেন। বড় ও মেজো ছেলে বিয়ের পর গ্রামেই শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে বউ নিয়ে থাকেন। মায়ের মত বাড়ি ভেঙে চাপা পড়ে মরার জন্য অপেক্ষা করার সাহস তাঁদের নেই। ছোট ছেলের এখনও বিয়ে হয়নি। তবে ভাঙা বাড়িতে মরার ভয়ে সেও থাকেনা। যেখানে সেখানে রাত কাটিয়ে দেয়।
বাড়ির অবস্থা এতটাই খারাপ যে
নিজের আধার,ভোটার ও রেশনকার্ড রাখতে হয় প্রতিবেশী সঞ্চিতা ঝাঁ কিংবা সুদর্শন চক্রবর্তীদের বাড়িতে। ওগুলো টিকে থাকলে মরে যাওয়ার পর অন্ততঃ সনাক্তকরনে সুবিধা হবে সরকারের। অসহায় বৃদ্ধা জানান, ” ছেলেরাও দিনমজুরি করে কোনও রকম বেঁচে রয়েছে। বাড়ি বানাতে পারেনি তারাও। একটা বাড়ির জন্য সরকারের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে গেছি। শুধু দেখছি আর দেখব। বোধহয় ভোটের আগেই ওরা ফটো তুলে নিয়ে যায়। তারপর আর কেউ আসেনা। এখন সরকার আমার দুয়ারে মৃত্যু পাঠিয়ে রেখেছেন। নিজের বাড়ি ছেড়ে কোথায় যাবো। তাই পড়ে আছি, হয়ত মরার জন্যই।”
বাড়ির ছবি দেখে চমকে উঠেছেন খোদ চন্দ্রকোনা ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হীরালাল ঘোষ। বলেছেন, ‘সে কী! এনার তো বাড়ি পাওয়ার কথা। কেন পাননি বলতে পারছিনা। তবে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছি।” তবে তাঁর এও সাফ কথা, ” এখুনি সরকারি বাড়ি পাওয়া কঠিন। আমাদের হাতেও তেমন সুযোগ নেই। তবুও আমরা চেষ্টা করবো সবরকম সহযোগিতার। প্রয়োজন মতো খাদ্য সামগ্রী,ত্রিপল এবং আর্থিক সাহায্যও করা হয়েছে আগামী দিনেও করা হবে।” সুতরাং আপাততঃ দুয়ারে মৃত্যু নিয়ে সুলোচনা রায়ের হয়ে ২টি প্রশ্ন করাই যায়। প্রথমতঃ একমাত্র বাড়ির তালিকায় নাম থাকার পরই এবং বাড়ি চেয়ে আবেদন করার পরই আবেদনকারীর ছবি তোলা হয়। তাহলে তালিকায় নাম থাকা স্বত্ত্বেও সুলোচনা রায়ের বাড়ি হচ্ছেনা কেন? দ্বিতীয়ত: ছবি তোলাটা কী বাড়ির জন্যই নাকি ভোটের আগে ‘আই ওয়াশ’ ছিল?
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…