নিজস্ব সংবাদদাতা: আপাততঃ বছর শেষের কয়েকটা দিন কনকনে ঠান্ডা নিয়েই কাটবে খড়গপুর মেদিনীপুরের। এমনটাই জানা যাচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে। এখনও অবধি এই মরশুমের শীতলতম দিন গিয়েছে গত ঠিক ৭দিনের মাথায়। খড়গপুর মেদিনীপুরে ওই দিন অর্থাৎ ২০শে ডিসেম্বর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ৬.৬১ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের গড় তাপমান ছিল ১৫.০৪ডিগ্রি। এই দিন ঝাড়গ্রাম ৬ডিগ্রি এবং পুরুলিয়া ও পানাগড় ৫ডিগ্রি ছুঁয়ে গেছিল। স্বাভাবিক ভাবেই সেদিন কনকনে ঠান্ডা গিয়েছিল দক্ষিনবঙ্গে।
তার পরের দিনও ঠান্ডার খুব হেরফের হয়নি কারন সেদিন, অর্থাৎ ২১তারিখ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সামান্য বেড়ে ৬.৭৭ হয়েছিল ঠিকই কিন্তু সর্বোচ্চ তাপমাত্রা আগের দিনের চেয়ে কমে ২৪.৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে যায় ফলে ঠান্ডা কমার বদলে বাড়াটাই বেশি মালুম হয়।
গত সাত দিনে কাঁসাই উপত্যকায় সর্বোচ্চ উষ্ণতম দিনটি ছিল ২৪শে ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার। সেদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৮৩ এবং সর্বোচ্চ ২৭.১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গড় তাপমান ছিল ১৭ডিগ্রি। ফলে নামেই সপ্তাহের উষ্ণতম দিন হলেও শরীর থেকে গরম কাপড় নামানোর সুযোগ হয়নি দুই শহরের বাসিন্দাদের। আশা করা হয়েছিল পরের কয়েকটা দিন একটু একটু করে তাপমান বাড়বে। সেরকমই পূর্বাভাস ছিল আবহাওয়া দপ্তরের কিন্তু হয়েছে উল্টো।
বৃহস্পতিবারের পরের দিন অর্থাৎ বড়দিন থেকে তাপমান ফের নামতে শুরু করেছে। বড়দিনে দুই শহরে তাপমান সর্বনিম্ন ৮.৪৩ ডিগ্রিতে নেমেছিল আর আজ অর্থাৎ শনিবার তা আরো প্রায় ১ডিগ্রি কমে ৭.৫৫ হয়েছে আর সর্বোচ্চ তাপমান নেমে গেছে প্রায় দেড় ডিগ্রি ফলে গড় তাপমান নেমে এসেছে প্রায় ১৬ডিগ্রির কাছাকাছি ।
মনে রাখতে গত সাতদিনে এই গড় তাপমানের খুব বেশি হেরফের হয়নি। আর যে কারনে এই কনকনে ভাবটা থেকেই যাচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তরও বলছে এই গড় তাপমানের খুব বেশি রদ বদল হওয়ার সম্ভবনা নেই ফলে হিমেল ভাব আপাততঃ থেকেই যাচ্ছে।
বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া উদ্যানের দেওয়া তথ্য অনুসারে এখানে গত ৭দিনের তাপমাত্রার অঙ্ক দেওয়া হল যা থেকে স্পষ্ট হয়ে যাবে দুই শহরের তাপমাত্রার হাল হকিকৎ।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…