নিজস্ব সংবাদদাতা: ২০১৮ সালে বাংলার পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ভারতীয় গনতন্ত্রের অন্যতম কলঙ্ক বলে মনে করেন রাজনীতিবিদদের একাংশ। শাসকদল তৃনমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল
বিরোধী দলগুলিকে প্রার্থী হতে না দিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় বেশিরভাগ আসন জিতে নিয়েছিল তারা। আর তারপরেও যে সমস্ত আসনে নির্বাচন হয়েছিল সেখানে অভিযোগ উঠেছিল লাগাম ছাড়া সন্ত্রাসের। এবার তারই পুনরাবৃত্তি দেখা গেল উত্তরপ্রদেশেও। শনিবার উত্তরপ্রদেশের বেশ কয়েকটি পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়েছে বিজেপি। ৮২৫ টি আসনের মধ্যে ৬৩৫টি আসনেই জয়লাভ করেছে বিজেপি।
মাত্র কয়েকমাস পরেই বিধানসভা নির্বাচন উত্তরপ্রদেশে। স্বাভাবিক ভাবেই খুশির মহল বিজেপিতে। এই বিপুল জয়ের পর লখনউয়ে বিজেপির সদর দফতরে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘প্রায় ৮৫ শতাংশ আসনে জিতেছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পথপ্রদর্শনের এবং অনুপ্রেরণার কারণে এই জয় এসেছে। কোনওরকম বৈষম্য ছাড়াই সমাজের সব শ্রেণির জন্য কাজ করা হয়েছে। মানুষ আমাদের দিকে ঝুঁকে আছেন। আমি খুশি যে দলের কৌশল কাজে এসেছে।’ সেইসঙ্গে ‘শান্তিপূর্ণ ও অবাধ’ নির্বাচনের জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন যোগী।
যদিও এই নির্বাচনকে প্রহসন বলে দাবি করেছেন বিরোধীরা। তাঁরা বলেছেন, ‘শান্তিপূর্ণ ও অবাধ’ নির্বাচনের কোনও লেশমাত্র ছিল না। একাধিক জায়গায় বিরোধীদের মনোনয়নপত্রও জমা দিতে দেওয়া হয়নি। তার জেরে শুক্রবারই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৩৪৯ আসনের ফল ঘোষণা হয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গিছিলেন ৪২ শতাংশের বেশি প্রার্থী।
বিরোধীরা আরও বলেছেন, শনিবার যে ৪৭৬ টি আসনে ভোট হয়েছে, তাতেও লাগামছাড়া হিংসা হয়েছে। সেই অভিযোগে অবশ্য পাত্তা দিতে রাজি নয় বিজেপি। বরং আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিপুল জয়ে দলের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়বে বলে মত বিজেপির।
এরই মধ্যে বিপুল জয়ের জন্য বিজেপি কর্মীদের প্রশংসা করেন নরেন্দ্র মোদী। টুইটারে হিন্দিতে তিনি লেখেন, ‘উত্তরপ্রদেশে ব্লক পঞ্চায়েত প্রধানের নির্বাচনেও নিজেদের ঝান্ডা উড়িয়েছে বিজেপি। যোগী আদিত্যনাথের সরকারের নীতি এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে যে মানুষ উপকৃত হয়েছেন, তাতে দলের বিপুল জয়ে বোঝা যাচ্ছে। এই জয়ের জন্য দলের সব কার্যকর্তার অভিনন্দন প্রাপ্য।
ঘটনা হচ্ছে গত মে মাসেই বারাণসী, মথুরা, অযোধ্যা এবং গোরখপুর অর্থাৎ গো-বলয়ের কেন্দ্র এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংসদীয় ক্ষেত্রেই গো-হারান হেরেছিল বিজেপি। ৩০৩০টি জেলা পঞ্চায়েতের মধ্যে বিজেপি পেয়েছিল মাত্র
৯০০টি আসন বাকি ২হাজারের বেশি আসন গিয়েছে সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টির ঝুলিতে। বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে যা ছিল বিজেপির কাছে প্রবল ধাক্কা। বিরোধীদের বক্তব্য এরপর আর অবাধ শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর ঝুঁকি নেয়নি বিজেপি। স্টাইল নিয়েছে ২০১৮ সালের বাংলার।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…