ওয়েব ডেস্ক : আর মাত্র ৪৮ ঘন্টা, তারপরই সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তো আছেই। কিন্তু পরীক্ষার দিন কয়েক আগেই করোনায় সংক্রমিত হলেন এক NEET পরীক্ষার্থী। আর এতেই বিপত্তি। করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় এর মধ্যে কিভাবে তিনি পরীক্ষায় বসবেন তা নিয়ে ইতিমধ্যেই উঠছে প্রশ্ন। চলতি বছর NEET পরীক্ষায় বসবেন বলে গত এক বছর যাবৎ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন দুর্গাপুর সংলগ্ন দুবচুরুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওই ছাত্র। কিন্তু করোনার কারণে পরীক্ষা না দিতে পারার আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই এবিষয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষ থেকে প্রশাসনের আধিকারিক সকলের কাছে বিষয়টিতে আলোকপাত করার অনুরোধ করলেও এখনও পর্যন্ত মেলেনি কোনও সমাধান।
জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ৪ তারিখ আচমকা পরীক্ষার্থী এবং তাঁর বাবা দুজনেরই জ্বর আসে৷ এরপর চিকিৎসকের পরামর্শ মতো দুজনেই করোনা পরীক্ষা করালে জানা যায় বাব-ছেলে দুজনেই করোনায় আক্রান্ত। তবে তাদের শরীরে সামান্য জ্বর ছাড়া আর কোনো উপসর্গ ছিল না সেকারণে স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশ অনুযায়ী বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন তারা। কিন্তু যেহেতু ১৩ সেপ্টেম্বর NEET এর পরীক্ষা ফলে কিভাবে পরীক্ষা দেবে পরীক্ষার্থী৷ আদেও দিতে পারবেন কিনা এই নিয়েই চিন্তিত পরিবার৷ এই বিষয়ে ওই পরীক্ষার্থী জানায় , ২০১৯ সালে সে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করেছেন। ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে গত বছর কোনো কলেজে ভর্তি না হয়ে এবছর NEET পরীক্ষায় বসার জন্য দীর্ঘ একবছর প্রস্তুতি নিয়েছেন তিনি। কিন্তু শুধুমাত্র করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে যদি সে এবছর পরীক্ষা দিতে না পারে, তাতে ফের একটা বছর নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা যেমন থাকছে তেমনই মনোবল নষ্ট হয়ে যাবে ওই কিশোরের। এমনটাই মনে করছেন তার বাবা।
ছাত্রের বাবা জানিয়েছেন, করোনা আক্রান্ত হলে সেক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীরা কিভাবে পরীক্ষায় বসবেন? কিংবা আদেও তারা পরীক্ষা দিতে পারবেন কিনা এবিষয়ে ছেলের পরীক্ষা কেন্দ্র দুর্গাপুরের ডিএভি মডেল স্কুলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তাঁরা পরীক্ষার্থীদের জনু আইসোলেশন ঘরের ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু তা শুধুমাত্র পরীক্ষা দিতে আসার পর থার্মাল চেকিংয়ে যদি কারো তাপমাত্রা বেশি ধরা পরে তাঁরাই শুধুমাত্র ওই আইসোলেশন ঘরে পরীক্ষা দিতে পারবেন। পাশাপাশি তারা আরও জানান নির্দেশিকায় করোনা আক্রান্তরা পরীক্ষা দিতে পারবে কিনা সে ব্যাপারে কিছুই বলা নেই। এমনকি দুর্গাপুর মহকুমা দফতর এবং মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে চিঠি পাঠানো হলেও আপাতত কোনও উত্তর মেলেনি।
তবে করোনা আবহে যেখানে একের পর এক মানুষ প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন, সেক্ষেত্রে NEET এর মতো প্রবেশিকা পরীক্ষা যেখানে কয়েক লক্ষ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেবে, সেখানে দাঁড়িয়ে প্রশাসনের তরফে করোনায় আক্রান্ত পরীক্ষার্থীদের বিকল্প পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত ছিল বলেই মনে করছেন পরীক্ষার্থীদের একাংশ।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…