ওয়েব ডেস্ক : শাসকদল থেকে সদ্য বিজেপিতে আসা নেতাদের গেরুয়া শিবিরের অন্দরে শিকড় যত শক্ত হয়েছে, অন্যদিকে ততই ক্রমশ নিজের অজান্তেই দলের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে রাহুল সিনহার৷ সম্প্রতি সর্বভারতীয় সম্পাদক পদ থেকে রাহুলকে সরানো হলে এই নিয়ে দলের অন্দরে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন রাহুল সিনহা। এমনকী প্রকাশ্যে বিদ্রোহও দেখিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে আদতে কোনো লাভ হয়নি৷ তাঁর বিদ্রোহে পাত্তা দেয়নি গেরুয়া শিবির। বরং তাঁকে বিজেপি’র কেন্দ্রীয় সম্পাদকের পদ থেকে ছেটে ফেলেছে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। তবে থেমে থাকার পাত্র নন রাহুল সিনহা। দীর্ঘদিন বিজেপির হয়ে কাজ করার পর দল থেকে এমন ব্যবহারের পর দলের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে রীতিমতো বিস্ফোরক মন্তব্য করে একটি ভিডিও টুইটারে পোস্টও করেছিলেন তিনি। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই শাসকদলের তাঁর সাথে যোগাযোগের কথা স্পষ্ট করলেন রাহুল সিনহা নিজেই। তিনি জানান, দিন কয়েক আগেই তৃণমূলের ২ শীর্ষ নেতা তাঁকে ফোন করেছিলেন। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে কি রাহুল সিনহা কে টোপ দিয়ে দলে টানতে চাইছে তৃণমূল?
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্বের তরফে নতুন কমিটি ঘোষণার পর দলের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে ভিডিও বার্তায় রীতিমতো হুঁশিয়ারির সুরে রাহুল সিনহা বলেছিলেন, “আমি যা বলার ১০–১২ দিনের মধ্যে বলব এবং আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঠিক করব।” কিন্তু রাহুল সিনহার সেই বক্তব্যের পর প্রায় ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও আদতে তাঁর ভবিষ্যৎ কি তা এখনও পর্যন্ত জানাননি বিজেপির প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সম্পাদক। তবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ না জানালেও বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, ” আমার অবস্থান যা ছিল তাই রয়েছে। এতদিন তো কাজ করলাম। এখন একটু বিশ্রাম নিচ্ছি। কুড়ি দিন হয়েছে। আরও কয়েকদিন হবে। তবে ফোন করেছিলেন তৃণমূলের দুই সম্মানীয় নেতা। পৃথক পৃথক ভাবে দু’জন ফোন করেছিলেন। তাঁরা জানতে চাইছিলেন, আমি কী চিন্তা করছি। আগামী দিনে কী পরিকল্পনা রয়েছে, ইত্যাদি। এটুকুই আর কী! সৌজন্য ফোন যেমন হয় সেটাই।”
প্রসঙ্গত, রাহুল সিনহাকে সরিয়ে বিজেপি’র নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন তৃণমূলের দুই প্রাক্তন নেতা মুকুল রায় এবং অনুপম হাজরা। কিন্তু জন্মলগ্ন থেকে বিজেপির হয়ে কাজ করা সত্ত্বেও তাঁকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় অন্যদল থেকে আসা ব্যক্তিদের বসানোয় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ জাতীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা। সে কারণেই দিন কয়েক আগে টুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করে রাহুল বলেছিলেন, “চল্লিশ বছর বিজেপি’র সেবা এবং বিজেপি’র একজন সৈনিক হিসেবে কাজ করে এসেছি। জন্মলগ্ন থেকে বিজেপি’র সেবা করার পুরস্কার এটাই। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা আসছে, তাই আমাকে সরতে হবে। এর থেকে বড় দুর্ভাগ্যের আর কিছু হতে পারে না। ” তবে সত্যিই কি শাসকদলের কোনো নেতা রাহুল সিনহার সাথে যোগাযোগ রেখেছেন,নাকি নির্বাচনের আগে গেরুয়া শিবিরের কাছে প্রাধান্য পেতেই এই কৌশল আটলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সম্পাদক তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলের অন্দরে।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…