নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি দেখেতেই ভেসে এল জয় শ্রী রাম; এক জায়গায় নয়, দফায় দফায় বেশ কয়েকবার জয় শ্রীরাম স্লোগান! প্রথমে রেয়াপাড়ায়, তার পরে মহম্মদপুর বাজারে। এরপরে টেঙ্গুয়া ও বলরামপুরে। প্রচারে শেষ লগ্নে নন্দীগ্রামেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ির সামনে এমন কাণ্ড ঘটালেন বিজেপি সমর্থকেরা। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় পরিস্থিতি সামাল দিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যায় মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়।
জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে রেয়াপাড়ার ভাড়া বাড়ি থেকে বেরিয়ে কনভয় নিয়ে ভাঙাবেড়ার দিকে রওনা হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বড় পুলের কিছুটা আগে তৃণমূল প্রার্থীর গাড়ি দেখে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা বিজেপি কর্মী সমর্থকদের কয়েকজন জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে শুরু করেন। এই নয়, কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থক আবার দলীয় প্ল্যাকার্ড নিয়ে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ের দিকে ধেয়ে যান। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ির কাছে পৌঁছনোর আগেই নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের আটকে দেন। এলাকা ছেড়ে চলে যায় মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়।
এরপর টেঙ্গুয়া মোড় থেকে ভেকুটিয়া হয়ে কনভয় যখন এগিয়ে যাচ্ছে, সেই সময় মহম্মদপুর বাজারের কাছে নিজেদের দলীয় কর্মসূচিতে যাওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। তৃণমূল সুপ্রিমোর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি দেখেই জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে শুরু করেন তাঁরা। তবে এক্ষেত্রেও বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে চলে যায় মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়। এরপর প্রচার শেষ করে ফেরার পথে আবারও বলরামপুর ও টেঙ্গুয়া মোড়ে এই কাণ্ড ঘটে।
আগামী মাসে ১ তারিখ নন্দীগ্রামে ভোট। সেই মোতাবেক এদিনই ছিল প্রচারের শেষ দিন। তাই এক ফোঁটা নষ্ট করার মতন সময় তৃণমূল সুপ্রিমোর হাতে ছিল না বললেই চলে। এদিন নন্দীগ্রামের ভাঙাবেড়ায় রোড শো করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হুইল চেয়ারেই তিন কিলোমিটার রোড শো করেন তিনি। এরপর সোনাচূড়া, বাঁশুলিচক ও টেঙ্গুয়ায় সভা মমতার।
এই নন্দীগ্রাম বর্তমানে পাখির চোখ। এখানেই প্রতিপক্ষদের লড়াইয়ের ফল জানতে অধীর আগ্রহে যেমন সকলেই তাকিয়ে রয়েছেন, ঠিক তেমনই মমতা-শুভেন্দু-মীনাক্ষি সকলেই লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়েছেন জোর কদমে। তবে যে শুভেন্দু একসময় মমতার লড়াইয়ে সঙ্গী ছিলেন ,আজ তিনিই লড়ছেন মমতার বিপক্ষ হয়ে। প্রচারে এসে সোমবার শুভেন্দুও তৃণমূলের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিল এই নন্দীগ্রামেই।
এদিন বিকেলের দিকে আশদতলার সভা শেষ করে বেরনোর সময় শুভেন্দুকে উদ্দেশ্য করে তৃণমূল কর্মীরা তাঁকে কালো পতাকা দেখায় বলে অভিযোগ। সরু গলির মধ্যে দিয়েই শুভেন্দুর কনভয় যাচ্ছিল। তখনই দু’ দিক থেকে বিক্ষোভকারীরা কনভয় আটকানোর চেষ্টা করেন। কেউ কেউ শুভেন্দুকে নোংরা ভাষায় আক্রমণ করে বলেও অভিযোগ। এমনকি, শুভেন্দুর গাড়ির দিকে বিক্ষোভকারীরা এগিয়েও যান। শুধু তাই নয়, প্রাক্তন বিধায়কের গাড়ি ঘিরেও ধরেন তারা।
সূত্রের খবর, স্থানীয় মানুষদের মধ্যে অনেকেই তৃণমূল সমর্থক ছিলেন। দলীয় পতাকা হাতেই কটূক্তি করতে দেখা যায় তাদের। সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন শুভেন্দুর নিরাপত্তারক্ষীরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিতে গেলে তাঁদের সঙ্গে রীতিমতো ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। বেশ কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তির পর কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতায় শুভেন্দু তাড়াতাড়ি বেরিয়ে যান তিনি। এই ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ির কাছে জয় শ্রী রাম ধ্বনি দিয়ে বিজেপি সমর্থকদের এগিয়ে আসা সোমবারের ঘটনারই প্রতিফল বলে মনে করছেন অনেকে।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…