ওয়েব ডেস্ক : দেশ জুড়ে করোনা মোকাবিলায় ধুঁকছে দেশ। এদিকে এই পরিস্থিতিতেও বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে করোনা চিকিৎসার খরচ ক্রমশ আকাশ ছুঁয়েছে। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গই নয় একই অবস্থা দেশের বিভিন্ন রাজ্যের বেসরকারি হাসপাতালগুলির। এদিকে সরকারি হাসপাতালগুলির বেড সংখ্যা ক্রমশ কমে আসছে। তারওপর বেসরকারি হাসপাতালগুলির করোনা চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় হাত মধ্যবিত্তের। এই বিষয়ে দুর্যোগ মোকাবিলা আইনে রাজ্য সরকারগুলিকে ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত।
এদিকে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে দেখা যাচ্ছে রোগী সুস্থ হওয়ার পর হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে লম্বা একটা বিল। যা দেখে চক্ষু চড়কগাছ রোগী পরিবারের। কোথাও বার বিল না মেটালে রোগী না ছাড়ার হুমকিও শোনা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বেসরকারি হাসপাতালগুলির কোভিড চিকিৎসার খরচে লাগাম টানতে বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী সচিন জৈন। তাঁর আবেদন, এইরকম মহামারী পরিস্থিতিতে দেশের মানুষ যখন লড়াই করছেন, তখন বেসরকারি হাসপাতালগুলিরও উচিত ন্যায্যমূল্যে কোভিড চিকিৎসা করে দেশবাসীর পাশে দাঁড়ানো।
সেই মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি এস এ বোবডের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ জানায়, “এই বিষয়গুলির সুদূরপ্রসারী প্রভাব কাজ করে। চিকিৎসা পরিষেবা পেতে কত দূর পর্যন্ত খরচ অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়, তা নিয়ে আমরা চিন্তিত।”এরপরই এদিন সুপ্রিম কোর্টের তরফে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কর্তাদের হাসপাতাল ফেডারেশনের সঙ্গে আবেদনকারী আইনজীবী সচিন জৈনকে নিয়ে আগামী ১৬ জুলাই বৈঠকে বসার নির্দেশ দেওয়া হয়। এবিষয়ে শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ বলে, “বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকার দুর্যোগ মোকাবিলা আইন প্রয়োগ করে রাজ্য সরকারগুলিকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিতে পারে। এক সপ্তাহের মধ্যে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং তা আদালতের অনুমোদনের জন্য পেশ করতে হবে।”
মঙ্গলবারের আলোচনায় সুপ্রিম কোর্টের তরফে কেন্দ্রের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, যে সমস্ত সরকারি হাসপাতাল সরকারের থেকে সস্তায় জমি পেয়েছে, সেখানে বিনামূল্যে কোভিড রোগীদের চিকিৎসা করানো সম্ভব কিনা। এবিষয়ে কেন্দ্র সুপ্রিম কোর্টকে জানায় যে, আদালতের নির্দেশ মেনেই আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া রোগীদের জন্য বেসরকারি হাসপাতালে শয্যা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরপর আদালতের তরফে জানতে চাওয়া হয় যে, সরকারি আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে যে স্বাস্থ্য পরিষেবার উল্লেখ করা আছে সেই অর্থে কোভিড রোগীদের চিকিৎসা বেসরকারি হাসপাতালগুলি করতে পারবেন কিনা।
সেই সময়ই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে খরচ কমানোর নির্দেশ দিতে পারে একমাত্র রাজ্য সরকার। তবে ভরতুকির বিনিময়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলি কতদিন পর্যন্ত চিকিৎসা পরিষেবা চালিয়ে যেতে পারবে তাই নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তুষার মেহতা।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…