অশ্লেষা চৌধুরী: শেষ অবধি বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বিধানসভা ভবনে গিয়ে নিজের হাতে লেখা পদত্যাগ পত্র জমা দিয়ে আসলেন বিধানসভার সচিবের হাতে। নিজের বিধায়ক প্যাডে মাত্র ৭লাইনের এই পদত্যাগ পত্রটি অবশ্য লেখা হয়েছে অধ্যক্ষের উদ্দেশ্যেই। অধ্যক্ষকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি লিখেছেন যে তিনি বিধায়ক পদে ইস্তফা দিচ্ছেন, যত দ্রুত সম্ভব এই ইস্তফা পত্র গ্রহন করে কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
আজই তিনি পদত্যাগ করবেন এমন সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই অধ্যক্ষর ঘরে প্রবেশের মুখে দাঁড়িয়েছিলেন সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা। তাঁরা প্রশ্ন করেন, তিনি পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন কীনা? কিন্তু পদত্যাগ পত্র জমা দিতে যাওয়ার সময় একটিও কথা বলেননি তিনি। বরং অন্যদিনের তুলনায় তাঁকে অস্বাভাবিক শান্ত মনে হয়েছে। এদিকে অধ্যক্ষ না থাকায় তিনি এরপর করিডর পেরিয়ে তিনি চলে যায় সচিব অভিজিৎ সোমের ঘরে। তাঁর হাতে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়ে চলে যান বিধানসভা ছেড়ে।
জানা গেছে আজ সকালে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে বেলা সাড়ে ৩টে নাগাদ বিধানসভা পৌঁছেও যান শুভেন্দু এবং বিধানসভা সচিবের সঙ্গে দেখা করে তাঁর পদত্যাগ পত্র জমা দেন। আবার, ই-মেলের মাধ্যমে বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে তাঁর পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছেন বলেও জানা যাচ্ছে।যদিও বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, ‘শুভেন্দুর ইস্তফাপত্র গৃহীত হচ্ছে না। কারণ, ‘ইস্তফাপত্র গ্রহণের এক্তিয়ার সচিবের নেই।’
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের টিকিটে কাঁথি দক্ষিণ বিধানসভা থেকে জয়লাভ করেন। ২০০৯ সালে তমলুক থেকে লোকসভা নির্বাচনে জয়যুক্ত হয়ে শিল্প দফতরের স্থায়ী কমিটির সদস্য হন। ২০১৪ সালেও নিজের আসনে জয়ী হন শুভেন্দু। ২০১৬ সালে পদত্যাগ করে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করেন। এবারেও জয় আসে। পরিবহণ দফতরের দায়িত্ব তাঁর উপরেই বর্তায়। পরে পরিবেশ ও সেচ দপ্তরের দায়িত্বও সামলেছেন তিনি।
তবে গত কয়েকমাস থেকে দলের সাথে বেশ তিক্ততা বাড়তে শুরু করে শুভেন্দুর। তিনি লক্ষ্য করেন দলে ক্রমশ গুরুত্ব হারাচ্ছেন তিনি। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় দায়িত্বে থাকা পর্যবেক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাঁকে আর তাঁর জায়গায় গুরুত্ব দিয়ে দলের দ্বিতীয় মুখ হিসাবে উঠিয়ে আনা হচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এরপরই দলের কর্মসূচি ও সরকারের অনুষ্ঠান এড়িয়ে নিজের মত কর্মসূচি করছিলেন তিনি। এরপর। গত ২৬ নভেম্বর তিনি প্রথমে ইস্তফা দেন এইচ আর বি সি চেয়ারম্যান পদ থেকে। আর পরের দিনই ২৭ নভেম্বর ছাড়েন মন্ত্রীত্ব। ইস্তফাপত্র যায় কালীঘাটে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে, কারণ স্যানেটাইজেশনের জন্য সেই দিন নবান্নর দ্বার বন্ধ ছিল। ধাপে ধাপে প্রশাসনিক পদগুলি থেকে সরে দাঁড়ালেও শুভেন্দু তাঁর বিধায়ক পদটি তিনি এখনও ছেড়ে দেননি। বুধবার সেই বৃত্ত সম্পূর্ণ করলেন শুভেন্দু।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…