ঠাকুর বলেছিলেন ঈশ্বর মন্দিরে আছেন
ওই দেবীমূর্তির শরীরে।
গেরুয়াধারী একজন সন্ন্যাসী জানালেন–
জীব সেবাতেই ঈশ্বর লাভ।
আমি বলি ঈশ্বরকে রোজ দেখি মহুয়া ফুলের রসে প্লাস্টিকের গ্লাসে।
সমস্ত আস্তিকবাদী আমাকে এই মারে এই খায়
এইসব দেখে মহুয়া রসের সেকি হাসি
হাসতে হাসতে নিজেই উল্টে যায়
গড়াগড়ি খায় আমার ঈশ্বর মহুয়ার রসে।
আমি তাকে শরীরে ধারণ করি।
তারপর, একা নাস্তিক ভিড় ঠেলে হেঁটে যাই
ঈশ্বরের দেখানো পথ চিনে।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…