আশ্লেষা চৌধুরী: দলনেত্রীর ছবি ও দলীয় পতাকা ছাড়াই জমজমাট সভা, কর্মকাণ্ডের মূখ্য ভূমিকায় খোদ রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবাসরীয় বিকেলে হাওড়ার ডোমজুড়ের শলপ ও বাঁকড়ায় এমন চিত্র ঘিরে রাজীবের দলবদলের জল্পনার পালে আরও একবার বাতাস লাগল নতুন করে। রবিবাসরীয় বিকেলে একদিকে হাওড়ার বাঁকড়ায় চলছে রাজীব ব্যানার্জীর ছবি দিয়ে পোস্টার মারার কাজ এবং অন্যদিকে শলপে হচ্ছে সভা- ডোমজুড়ের এই দুই এলাকায় এদিন কেবল রাজীব আর রাজীব।
জন সমাগমে পরিপূর্ণ সেই সভায় উঠছে জিন্দাবাদ ধ্বনি, চলছে বড়সড় পোস্টারিং, অথচ সেখানে ব্রাত্য দলীয় পতাকা ও দলনেত্রির ছবি। দলের পতাকার বদলে সেখানে শোভা পাচ্ছে জাতীয় পতাকা। সভা জুড়ে ছিল রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ছবি । এমনকি সকলে নিজেদের বুকে লাগিয়ে ছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদের পোস্টার। এছাড়াও ছিল আমরা তোমার সাথে আছি, আমরা দাদার অনুগামী, বা বাংলার রাজনীতি সন্ধিক্ষণে তোমার প্রয়োজন অসীম- এসব লেখা যুক্ত পোস্টার।
সভার উদ্যোক্তা সলপ এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান গোপাল ঘোষ জানান, বিগত ১১ বছর ধরে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ডোমজুড়ের মানুষের সেবা করে এসেছেন, যারা আজকে তার বিরুদ্ধে কথা বলছে তারা সকলে ভুঁইফোড় নেতা । একই সঙ্গে তাঁর দাবী ডোমজুড়ের মানুষ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।‘ অপরদিকে হাওড়ার ডোমজুড়ের বাঁকড়া দু নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য আব্দুস সালাম তোতা জানান, ” কে কি বলল সেটা নিয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই। আমরা দাদার অনুগামী। দাদার সাথে ছিলাম আছি থাকব। সবাই দাদার উপকার ভুলে গেলে হবে না। তাই ডোমজুড়বাসীরা দাদার সঙ্গে আছে, থাকবে।
আগামী দিনে যারা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কুরুচিকর মন্তব্য করছে তাদের আমরা দেখিয়ে দেব আমরা দাদার কতবড় ভক্ত, কতবার অনুগামী। ” প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন থেকেই রাজীবের কন্ঠেও যেন শোনা যাচ্ছিল শুভেন্দুর সুর। বেশ কিছু জনসভায় দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বনমন্ত্রী। শুধু তাইই নয়, সরাসরি কলকাতা অবরুদ্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়ে বসেন মমতার সরকারকে। হাওড়া, বাঁকুড়া, গোপালনগরের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়িসহ অন্যান্য জেলাতেও রাজীবের নামে নামে ছেয়ে যায় পোস্টার। দাদার ভক্তদের ভক্তি যেন বেশি বেশি করে মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে থাকে।
আসন্ন বিধানসভাকে পাখি চোখ করে ময়দানে নেমে পড়েছে সকল রাজনৈতিক দলই। কিন্তু এখন বঙ্গ রাজনীতিতে দল বদলের খেলায় মেতেছেন অনেকে নেতা মন্ত্রীরা, যদিও এক্ষেত্রে পদ্ম শিবিরের পাল্লা কিছুটা ভারী হয়েছে শুভেন্দুর জোগদানের জল্পনা সত্যি হওয়ার পর। এহেন অবস্থায় রবিবারে ফের রাজীবের ভক্তদের ভক্তিসভা যে শাসক দলের জন্য কোনও অশন সংকেত বহন করে আনছে না, সেটা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তার মধ্যে আবার দাঁতনের সভা থেকে একই দিনে শুভেন্দু হাওড়ার নেতাদের তাঁর সঙ্গ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাহলে এই সভা কী সেই ঘটনারই ইঙ্গিত! তবে কি এবার রাজীবের পালা! সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…