নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বারবার আবেদন করেছিলেন কেন্দ্রের কাছে যে বর্তমান করোনা পরিস্থিতির মুখে দাঁড়িয়ে পড়ুয়াদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গুলির পরীক্ষা বাতিল করা হোক। পরিবর্তে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি পড়ুয়াদের আগের পরীক্ষাগুলি সহ বিভিন্ন শর্তের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে পরীক্ষা ছাড়াই ফলাফল নির্ধারন করবে। কী পদ্ধতিতে এই মূল্যায়ন হবে তাঁর রূপরেখাও তৈরি করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। সেই পথে এগুতে থাকে রাজ্যের অন্যান্য কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গুলি।
কিন্তু বাদ সাধে ইউজিসি। ইউজিসি জানিয়ে দেয় পরীক্ষা ছাড়াই ডিগ্রি বিশ্বে ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অবস্থানকে ছোট করে দেবে এবং মান পড়ে যাবে,গ্রহণ যোগ্যতা হারাবে। তাই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সার্বজনীন গ্রহনযোগ্যতাকে ধরে রাখতে ফাইনাল বা চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়া আবশ্যক। ইউজিসি আরও জানিয়ে দেয়, সেপ্টেম্বরের মধ্যে চূড়ান্তবর্ষের পরীক্ষা শেষ করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের দ্বারস্থ হন মমতা ব্যানার্জী। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন বিষয়টি দেখার জন্য। এরাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় রাজ্যপালের দ্বারস্থ হন।
ইতিমধ্যে মামলা গড়ায় শীর্ষ আদালতে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরীক্ষা গ্রহনের ইউজিসি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যায় দিল্লি ও মহারাষ্ট্র সরকার। সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রকে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে বলে। সোমবার কেন্দ্রের তরফে সুপ্রিম কোর্টে স্পষ্ট করে দেওয়া হল, পরীক্ষা না হলে পড়ুয়াদের কোনওমতেই ডিগ্রি দেওয়া হবে না। অর্থাৎ পরীক্ষা ছাড়া ডিগ্রি পাবেন না পড়ুয়ারা।
সোমবার সেটির শুনানি ছিল। শুনানি চলাকালীন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা সওয়াল করেন, ‘মহারাষ্ট্র ও দিল্লি সরকার যে হলফনামা পেশ করেছে, তা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশিকার (গত ৬ জুলাইয়ের নির্দেশিকা) পরিপন্থী। যখন ডিগ্রি প্রদানের একমাত্র প্রতিষ্ঠান হল ইউজিসি, তখন কীভাবে রাজ্য সরকারগুলি পরীক্ষা বাতিল করতে পারে এবং আশা করে যে ইউজিসি ডিগ্রি প্রদান করবে!’
পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রের অনড় মনোভাব বোঝাতে আগের শুনানির মতোই মেহতা পরামর্শ দেন, পরীক্ষার জন্য পড়ুয়ারা যেন প্রস্তুতি চালিয়ে যান। একইসঙ্গে আরও দৃঢ়ভাবে সলিসিটর জেনারেল বলেন, ‘পরীক্ষার জন্য পড়ুয়াদের প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে হবে। যদি পরীক্ষা না হয়, তাহলে ডিগ্রি দেওয়া হবে না। এটাই আইন’। তবে পরীক্ষা নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত কাটানোর পক্ষেও সওয়াল করেন মেহতা।
বাস্তবিকই সুপ্রিমকোর্টের রায়ের ওপর নির্ভর করছে দিল্লি, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ সহ বিভিন্ন রাজ্যের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ। এরই মধ্যে কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত উদ্বেগের মধ্যে ফেলে দিল পশ্চিমবঙ্গ সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যকে।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…