নিজস্ব সংবাদদাতা: কোনও কোনও মহল থেকে গুজব রটছে যে পশ্চিম মেদিনীপুরে কয়েকজন করোনা বা কোভিড-১৯ ভাইরাস আক্রান্ত রুগী রয়েছেন যদিও বাস্তবে এই গুজবের কোনও ভিত্তি নেই। এমনটাই জানিয়ে দিলেন জেলার মূখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক গিরীশ চন্দ্র বেরা। বেরা জানিয়েছেন সোমবার দুপুর অবধি পাওয়া তথ্য অনুসারে এই জেলায় কোথাও কারও করোনা সংক্রমণের ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরো জানান, এখনও পর্যন্ত জেলায় ৩৮ জন বিদেশ ফেরত ব্যক্তিকে পাওয়া গিয়েছে।
এদের মধ্যে ১৮ জনের ১৪ দিনের নজরদারি সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে । অর্থাৎ তাঁরা সম্পুর্ন বিপদমুক্ত। বাকি ২০ জনকে এখনো নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। নিজেদের বাড়িতেই তাঁরা স্বাস্থ্য দপ্তরের নজরদারি ও পরামর্শে রয়েছেন। মূখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, এখনও অবধি দুজনের নমুনা পরীক্ষার জন্য মুখের লালা বেলেঘাটা আই.ডিতে পাঠানো হয়েছিল এবং তার প্রতিটিই নঞর্থক বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে উদ্বেগের কিছুই নেই।
এদিকে সোমবারই আরব থেকে দেশে ফিরে আসা এক ব্যক্তিকে করোনা সংক্রামনের সতর্কতা হিসাবে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের আইসোলেশন ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিন দুপুরেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা থেকে শিশু সহ সস্ত্রীক মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজে আসেন এই ব্যাক্তি। মূখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বেরা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি সর্দি কাশি নিয়ে দেখতে এসেছিলেন মেডিক্যাল কলেজে। যদিও তার মধ্যে এখনো পর্যন্ত সেভাবে কোনো উপসর্গ না দেখা গেলেও সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী এই ব্যক্তির লালা রস সংগ্রহ করে পাঠানো হচ্ছে পরীক্ষার জন্য। পাশাপাশি একইভাবে জেলার সর্বত্র বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক গিরিশচন্দ্র বেরা।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…