নিজস্ব সংবাদদাতা : হটস্পট সংক্রান্ত বিধি মানতেই হবে কঠোর ভাবে। রাজ্যগুলিকে এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি মোদির এও ঘোষনা যে, আগামী ৭দিন অর্থাৎ ২০শে এপ্রিল অবধি কঠোর ভাবে লকডাউন বিধি মেনে চললে বেশ কিছু ছাড় মিলবে রাজ্যগুলির, আগামী ৩রা মে অবধি লকডাউনের সময়সীমা বাড়িয়েও এমনই ঘোষনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় করোনা মোকাবিলায় সরকার কি কি পদক্ষেপ নিতে চলেছে তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় ভাষনের দিকে গোটা দেশবাসীর নজর ছিল। প্রত্যাশামতই লকডাউনের সময়সীমা ৩রা মে অবধি বাড়ানো হলেও আগামী ৭ দিনের পর লকডাউনের বাড়তি ১০দিন থাকছে অনেকটাই মুক্ত বাতাবরন পাওয়ার সুযোগ। তবে, আর এই তবের মধ্যেই রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর বার্তা কিংবা শর্ত যে কঠোর ভাবে লকডাউন বিধি। আর সেই বিধির মধ্যেই থাকছে হটস্পট নীতিকে যথাযথ কার্যকর করা।
কেন্দ্রীয় সরকার মনে করছে যে কোনও কোনও রাজ্য লকডাউন নীতি ঠিকঠাক পালন করছেনা। মোদি যদিও কোনও রাজ্যের নাম উল্লেখ করেননি তবুও মনে করা হচ্ছে যে পশ্চিমবঙ্গও মোদির ইঙ্গিতের মধ্যে রয়েছে কারন এ রাজ্যের বিজেপি সাংসদ থেকে শুরু করে খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পর্যন্ত এই আভিযোগ এনেছেন যে, রাজ্যের বেশকিছু জায়গায় বিধি ভেঙে জমায়েত হচ্ছে। পাশাপাশি এ রাজ্য প্রথমে কয়েকটি এলাকায় হটস্পট ঘোষনা করার কথা বলেও পিছিয়ে এসেছে। রাজ্যের মুখ্যসচিব হটস্পট বলারও পরেও মূখ্যমন্ত্রী বলেছেন, রাজ্যে হটস্পট বলে কিছু নেই যা আছে তা মাইক্রোপ্ল্যানিং মাত্র। মূখ্যমন্ত্রী এও বলেছেন যে তথাকথিত হটস্পট বা মাইক্রোপ্ল্যানিং এলাকায় মানুষ বাজার হাট করতে পারবেন, বাজার , মুদির দোকান খোলা থাকবে। স্বভাবতই এই নীতি যে কেন্দ্র মানছে না তা বলা বাহুল্য।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সামনেই রবি শস্য কাটার সময় আসছে। তাই কৃষক এবং শ্রমিকদের কথা মাথায় রেখে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ফসল কাটার জন্য ছাড় মিলবে এবং অবশ্যই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই।আগামীকাল এই সব ক্ষেত্রের শ্রমিকদের কথা মাথায় রেখে নতুন গাইডলাইন প্রকাশ হবে। ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার মাধ্যমে এদের সাহায্য করা হচ্ছে, আগামী কালকের গাইডলাইনেও সাহায্যের সম্পুর্ন প্রচেষ্টা থাকবে বলেই জানান তিনি। পাশাপাশি তিনি এও জানান দেশে যথেষ্ট পরিমাণ ওষুধ এবং খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে।পণ্য পরিবহনের জন্য সমস্ত বাধা দূর করার চেষ্টা চলছে বলে জানান মোদি।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ২০সে এপ্রিল পর্যন্ত নজরদারির পর যেসব জায়গায় লকডাউন কঠোরভাবে মেনে চলা হবে এবং নতুন করে যেসব জায়গায় হটস্পট হওয়ার সম্ভাবনা থাকবেনা সেই সমস্ত এলাকায় শর্তসাপেক্ষে কিছু কিছু চার দেওয়া হবে। ইতোমধ্যেই গোটা দেশে হটস্পট নির্ধারণের কাজ চলছে। ভাগ করা হচ্ছে লাল কমলা আর সবুজ এই তিন জোনে। প্রধানমন্ত্রীর বার্তায় স্পষ্ট যে হটস্পট এবং তার আশেপাশের জায়গায় লকডাউনের কড়াকড়ি আরো জোর হবে। তবে যদি লকডাউনের শর্ত লঙ্ঘিত হয় তবে এই ছাড় প্রত্যাহার করা হবে বলেও তিনি জানান। এর অর্থ সমস্ত রাজ্য এই সুবিধা নাও পেতে পারে।
পূর্বের দুটি ভাষনের মতই এদিনও প্রধানমন্ত্রী ভাষণ শেষ করেন সমস্ত ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী এবং জরুরি পরিষেবার কর্মীদের ধন্যবাদ জানান এবং মূল সাতটি নির্দেশিকা স্থির করে দেন। যাকে তিনি সপ্তপদী বলে অভিহিত করেছেন , এগুলি হল বয়স্কদের প্রতি বিশেষ লক্ষ্য রাখা, বিশেষত যাদের পুরোনো রোগ রয়েছে তাদের বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখুন, লকডাউনের নির্দেশিকা পালন করুন, মাস্ক পরুন, নিজেদের ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য আয়ুশ মন্ত্রকের নির্দেশিকা পালন করুন, করোনা সংক্রমণ আটকানোর জন্য আরোগ্য সেতু মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করুন, যতটা সম্ভব গরিব পরিবারকে সাহায্য করুন, নিজেদের ব্যবসায় কর্মরত কর্মীদের খেয়াল রাখুন এবং করোনার সময় সমস্ত জরুরি পরিষেবায় যুক্ত মানুষদের সম্মান করুন।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…