নিজস্ব সংবাদদাতা: মঙ্গলবার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষন দিতে গিয়ে অন্ততঃ তিনবার উচ্চারন করেছেন দেশের শ্রমজীবী জনতার কথা। বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে, বলেছেন শ্রমিকদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা আর প্যাকেজ ঘোষনা করছে কেন্দ্র আর বলেছেন কোনও শ্রমিক যেন ছাঁটাই না হয়, তাঁদের যেন বেতন না কাটা হয় সেটা সবাইকে দেখতে হবে। বাস্তবে যদিও বিপরীত অভিজ্ঞতাই পেল দেশ। দেশের বানিজ্য নগরী আর খোদ প্রধানমন্ত্রীর গুজরাট মডেলেই এদিন ক্ষুদা কাতর শ্রমিকের রাস্তায় নেমে আসতে দেখা গেল। সব জায়গাতেই শ্রমিকদের একটাই দাবি, ‘খেতে পাচ্ছিনা, বাড়ি ফিরতে দাও।’ নিরন্ন, ক্ষুদা কাতর মানু্ষের ওপর বেপারওয়া লাঠিও চলেছে মহারাষ্ট্রের বান্দ্রায়। আহত হয়েছেন একাধিক শ্রমিক। মঙ্গলবার মহারাষ্ট্র থেকে গুজরাটে এই বিক্ষোভ দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীর ভাষনের কয়েকঘন্টা পরেই। দু’জায়গাতেই দাবি ওঠে, হয় হয় তাঁদের বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করুক সরকার। নইলে পেট ভরানোর ব্যবস্থা করা হোক।
এদিন দুপুর গড়াতেই এ দিন মুম্বইয়ের রাস্তায় নেমে আসেন কয়েক’শ মানুষ। লকডাউন উঠতে পারে আশা করে দুপুরের দিকে বান্দ্রায় স্টেশনের বাইরে বাস ডিপোয় জড়ো হয়েছিলেন তাঁরা। ভেবেছিলেন ট্রেন বা বাস চলবে হয়ত। তা না হওয়াতেই রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। তাঁদের হটাতে লাঠিচার্জ করেন পুলিশ। তাতে বেশ কয়েক জন জখম হন। শেষ মেশ পুলিশের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
মু্ম্বই পুলিশের এক আধিকারিক জানান, বিক্ষুব্ধরা সকলেই দিনমজুর। মূলত উত্তরপ্রদেশ এবং বাংলা থেকে এসেছেন। পটেল নগরী বস্তিতে থাকেন। এ দিন দুপুর তিনটে নাগাদ বান্দ্রা স্টেশনের কাছে বাস ডিপোর প্রায় ১০০০ জন জড়ো হন। রাস্তার উপরই বসে পড়েন তাঁরা। বাড়ি ফেরার জন্য বাসের ব্যবস্থা করে দিতে হবে বলে দাবি তুলতে শুরু করেন।
এই একই দাবিতে এদিন বিকাল থেকেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে গুজরাটের সুরাটের ভারাছা এলাকায় পথ অবরোধে সামিল হন কয়েক’শ শ্রমিক। তাঁরা দাবি করেন খাবার জুটছেনা তাঁদের। পুলিশ ছুটে আসে ঘটনাস্থলে। পুলিশের এক আধিকারিক জানান, ”ওঁদের খাবার নেই শোনার পরই আমরা খবর দেই একটি এনজিওকে। ব্যবস্থা করা হয় খাবারের প্যাকেটের।” স্থানীয় বিধায়ক ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী কিশোর কানাই এসে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে প্রতিশ্রুতি দেন আগামী দিনে আর কোনও অসুবিধা হবেনা শ্রমিকদের। এখানকার বেশির ভাগ শ্রমিকরা ওড়িশা , উত্তর প্রদেশ, বিহারের।
লকডাউনের ২১দিন পেরিয়ে আবার শুরু ১৯দিন। ভারতের রাস্তায় রাস্তায় প্রকৃত ভারত নির্মানের বিশ্বকর্মার দল। সুতাকল থেকে সড়ক, রেলপথ থেকে বহুতল ঠিকা মজদুরদের শ্রমেই নির্মিত। আজ সেই শ্রমিকদেরই রাস্তায় নামতে হচ্ছে খিদের জ্বালায়। অথচ সবাই জানে শুধু ভাষনে কোনও কাজ হয়না।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…