নিজস্ব সংবাদদাতা: নিজের মেয়েকেই দেহ ব্যবসায় নামাতে দ্বিধা করেনি মা, পালিয়ে মামীমার কাছে গিয়েও রেহাই পায়নি মেয়ে। রক্ষক ভেবে যার কাছে ছুটে যাওয়া সেই ফের আবার তুলে দিয়েছে ভক্ষককেরই কাছে! মেদিনীপুর শহরের এক নাবালিকার এমনই এক মর্মস্পর্শী অভিজ্ঞতা। ইজ্জত বাঁচানোর চেষ্টায় ছুটে বেড়াতে হয়েছে এর কাছ থেকে ওর কাছে কিন্তু সম্ভ্রম রক্ষা হয়নি। ঘটনার পান্ডাকে খড়গপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খোঁজ চলছে বাকিদের।
খড়গপুর পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, নির্যাতিতা নাবালিকার বাড়ি মেদিনীপুর শহর লাগোয়া খয়েরুল্লার চকে। সংসারে টানাটানি তাই নাবালিকাকে তার মা পাঠিয়ে দেয় জকপুরে এক ব্যক্তির বাড়িতে সর্বক্ষনের কাজের মেয়ে হিসেবে। জকপুরের সাগর দাসের বাড়িতে কাজ করতে পাঠানো হয় ওই ১৫ বছরের বালিকাকে। সেখানে সাগর ওই বালিকাকে বারংবার শ্লীলতাহানি করে। অবস্থা বুঝে পালিয়ে আসে ওই কিশোরী। বাড়িতে এসে ওই কিশোরী মা কে সব কিছু খুলে বলে এবং থানায় অভিযোগ জানানোর কথা বলে। কিন্তু কিশোরীর মা মেয়েকে অভিযোগ করতে বারন করে এবং মেয়েকে মেদিনীপুর শহরেরই গোলাপি চকে মামার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।
এবার মেয়েটির মামীমা মেয়েটিকে শহরের কেরানিতলায় ভোলানাথ দাস বলে একজনের বাড়িতে কাজ করতে পাঠায় দিন ছ’য়েক আগে। সেখানেও ভোলানাথের লালসার শিকার হয় মেয়েটি। পুলিশের বক্তব্য এরপরেই মেয়েটি বুঝতে পারে একটি চক্রের মধ্যে অবস্থান করছে মেয়ে যে চক্রে মেয়েটির মা,মামীমা, সাগর দাস, ভোলানাথ দাসরা রয়েছে। এরপর সেখান থেকে পালিয়ে মেদিনীপুর শহরে মা আর মামীমার কাছে না গিয়ে খড়গপুর শহরের এক পরিচিত আত্মীয়ের সাহায্য চায় কিশোরী। ওই ব্যক্তি খড়গপুরের মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের হয়।
এদিকে মেয়েটি পালানোর পরই সতর্ক হয়ে যায় ভোলানাথ দাস। দু’দুবার যে মেয়ে পালিয়েছে সে মেয়ে সহজ নয় বুঝতে পারে ভোলা। মেয়ের মা মামীমার কাছে সে জানতে পারে আগেই থানায় যেতে চেয়েছিল মেয়ে। এবারও সে কোতোয়ালি থানায় যেতে পারে অনুমান করেই গা ঢাকা দেয় ভোলা। মেদিনীপুর শহর ছেড়ে সে চলে আসে খড়গপুর শহরে কিন্তু সে বুঝতে পারেনি যে অভিযোগটা দায়ের হয়েছে খড়গপুর শহরেই। খড়গপুর শহর পুলিশ মেদিনীপুর এবং বিভিন্ন সূত্রে খবর পেয়ে ভোলার অবস্থান জেনে যায়। রবিবার রাতে খড়গপুর শহরের ইন্দা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।
পুলিশ জানিয়েছে, জেরার মুখে ভোলানাথ দাস তার অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছে। পুলিশ জানতে পেরেছে পুরো চক্রটাই দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এই ব্যবসাতে সামিল করার জন্যই ওই কিশোরীকে অভ্যস্থ করে তুলতেই কিশোরীর মা ও মামীমা তাকে তুলে দিয়েছিল সাগর আর ভোলার নৈবেদ্য হিসাবে। ভোলাকে ৫দিনের হেফাজতে নিয়ে পুলিশ জানতে চাইছে এই চক্রের হাত আর কতদুর প্রসারিত। মা মামীমা আর সাগরকেও গ্রেপ্তার করা হবে পুলিশ জানিয়েছে।
অভিরুপ মাইতি, খড়গপুর: দু’টি বিয়ের পরেও ফের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, আর তারই জেরে শেষ পর্যন্ত…
লক্ষাধিক টাকার জাল নোট-সহ আটক সপ্তম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। পুলিশ নাবালকের কাছ থেকে ৪ লক্ষ…
বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ করোনার সময়ে সাধারণ মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। জুটেছিল বাস্তব জীবনের হিরোর…
নিজস্ব সংবাদদাতা: স্কুল কিংবা টিউশন পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীর দিকে চেয়ে থাকত লোলুপ দু'টো চোখ।…
বিশ্বজিৎ দাস:- ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেল ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। তাও মাত্র সাত…
নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউন কেড়ে নিয়েছে তাঁর এবং স্বামীর পেশা। একরত্তি মেয়ে কে নিয়ে সংসার ভাসছে…