TRENDS

মাস পয়লা সংক্রমন কম মেদিনীপুর শহরে, নূন্যতম সংক্রমন পিংলা সবং ডেবরায়! চোখ রাঙাল দাঁতন আর বেলদায়

Chandramani Saha

নিজস্ব সংবাদদাতা: অক্টোবরের পয়লা তারিখ দিনটা স্বস্তির মেদিনীপুরবাসীর জন্য। পুজোর মাসের প্রথম দিনে করোনা সংক্রমনের গতি বেশ কিছুটা নিচের দিকেই নামল। শুধুমাত্র শহর ধরলে আরটি/পিসিআর ও আ্যন্টিজেন ধরে শহরে মাত্র ১৪ জনের নতুন করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। শহর ঘেঁষে থাকা গোলাপীচকের একই পরিবারের ২সদস্য ধরলে সংখ্যাটা ১৬জন। শহরের তিনটি পরিবারের জোড়া জোড়ায় মোট ৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন যার মধ্যে আবাস এলাকার ৩৩ এবং ৩২ বছর বয়সী দম্পত্তি, বিধাননগর এলাকার ৪৪ এবং ৩৪ বছরের দম্পত্তি এবং মানিকপুর এলাকায় একই পরিবারের ৫০ বছর ও ৩৮ বছরের পুরুষ মহিলা আক্রান্ত হয়েছেন।

ওই ছ’জন বাদ দিয়ে শরৎপল্লী ও মিঞা বাজার এলাকায় ৫১ এবং ৫৪বছরের দুই প্রৌঢ়া আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়াও ক্ষুদিরাম নগর ও বক্সী বাজার দক্ষিণপাড়ায় ২৫ বছরের এক যুবক ও ২৯ বছরের এক যুবতী আক্রান্ত হয়েছেন। বাকি আরও ৪জনের দেহে করোনার অস্তিত্ব মিলেছে যাঁদের ঠিকানা হিসাবে শুধু মেদিনীপুর শহর উল্লেখ করা হয়েছে।

পয়লা অক্টোবরে পিংলা, সবং, ডেবরাকেও স্বস্তি দিয়েছে করোনা। ডেবরায় ২টি এবং পিংলা ও সবংয়ে ১টি করে নতুন পজিটিভ মামলা পাওয়া গেছে। ডেবরা থানা এলাকার বালিচকে ৪৭ বছরের এবং ভোগপুর ডুঁয়া এলাকায় ৬৯বছরের ২মহিলা আক্রান্ত হয়েছেন। পিংলা সদরে ৩৭ বছরের যুবক এবং সবংয়ের পুরুষোত্তমপুরে ৪৬বছর বয়সী ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছেন।

তুলনায় আক্রান্ত বেশি হয়েছেন বেলদা ও দাঁতনে। বেলদায় ১১জন ও দাঁতনে ৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন নতুন করে। বেলদার জন্জিরা রেড়িপুর (৪২ বছর, পুরুষ), লাউডুংরি (৬০, পুরুষ), কিয়ারি পোরলদা (৩৮ ,পুং), কোটবাড় সাউরি (৪৮ মহিলা) এবং নারায়নগড়ের অভিরামপুরে একই পরিবারের দুই নাবালক নাবালিকা ও ৩৮ বছরের যুবক সহ আক্রান্ত ৩ জন। অন্যদিকে কেশিয়াড়ি থানা এলাকার ডিহি কেশিয়াড়ি (৩৩ পুং), কাশিপুর(৪১ পুং) এবং তিলাবনিতে ২৭ বছরের মহিলা আক্রান্ত হয়েছেন।

দাঁতন পুলিশে ২৭ বছরের কর্মী ছাড়াও ভবানীপুর ঝিনুকপলসা(২৭ মহিলা), ভবানীপুর সস্তনগর (৭৫ মহিলা), চক ইসমাইলের মধুবঁইচা (৫৫ পুরুষ), একতারপুরে ৬৬বছরের বৃদ্ধ ও ১৯বছরের তরুন আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়াও উত্তর রায়বাড়ে ৩৮ বছরের যুবক ও কৃষ্ণপুরে ৪৫ বছরের মহিলা আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য খড়গপুরে এদিন ৪০ আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে।

Chandramani Saha

চন্দ্রমণি সাহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং একজন প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক। গতানুগতিক সংবাদের বাইরে গিয়ে মানবিক আবেদন সম্পন্ন গল্প এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে তিনি The Khargapur Post-এর সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত।

Home Breaking E - Paper Video Join